নয়াদিল্লি: দীর্ঘদিনের আন্দোলনের অবসান ঘটিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল (CJP)ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সরকারের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর দলের প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস আজ ঘোষণা করেছেন যে, সিজেপি আন্দোলন প্রত্যাহার করছে। সরকারের তরফ থেকে জিতেন্দ্র সিং এবং জগৎ প্রকাশ নাড্ডা সিজেপির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, “সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর সৎ বিশ্বাসে আমরা আন্দোলন প্রত্যাহার করছি।
সম্মত হওয়া শর্তগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে বলে আমরা আশা করছি।”সৌরভ দাসের এই ঘোষণার পর রাজ্য রাজনীতিতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলা হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নিট কেলেঙ্কারি, শিক্ষা ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন দাবিতে সিজেপি রাজ্যজুড়ে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল। রাস্তায় বিক্ষোভ, অবরোধ, মিছিল সবকিছুতেই দলের কর্মী-সমর্থকরা সক্রিয় ছিলেন।
আরও দেখুনঃ বিধানসভা থেকে তৃণমূল আমলের বিতর্কিত পুলিশ অফিসারদের সাসপেন্ড মুখ্যমন্ত্রীর
কিন্তু সরকারের সঙ্গে আলোচনায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ আশ্বাস পাওয়ার পর দল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।সৌরভ দাস আরও বলেন, “আমরা আন্দোলন করেছি জনগণের দাবি নিয়ে। সরকার যদি সময়মতো প্রতিশ্রুতি পূরণ করে, তাহলে আমরা আর রাস্তায় নামব না। তবে যদি কোনো শর্ত ভঙ্গ হয়, তাহলে আন্দোলন আবার শুরু হবে।” তাঁর এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে, দল আন্দোলন প্রত্যাহার করলেও সতর্ক দৃষ্টি রাখছে।
রাজ্য সরকারের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আলোচনায় নিট কেলেঙ্কারির তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সম্মত শর্তগুলো যথাসময়ে পূরণ করা হবে।এই ঘোষণার পর সিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
অনেকে এটাকে “কৌশলগত সাফল্য” বলে অভিহিত করেছেন। তাঁরা মনে করেন, আন্দোলনের চাপে সরকারকে পিছু হটতে হয়েছে। অন্যদিকে কিছু কর্মী বলছেন, “আন্দোলন প্রত্যাহার করা ঠিক হয়েছে, কিন্তু সরকারের ওপর নজর রাখতে হবে।” দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন বলে জানা গেছে।বিরোধী দলগুলোর প্রতিক্রিয়াও এসেছে।
আরও দেখুনঃ ‘গণতন্ত্রের জয়’, ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফায় প্রথম প্রতিক্রিয়া সোনম ওয়াংচুকের
বিজেপির এক নেতা বলেন, “সিজেপি আন্দোলন করে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করেছিল। এখন সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে আন্দোলন প্রত্যাহার করছে।” তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আন্দোলন যখন চলছিল তখন তো কোনো ফল হয়নি। সরকারের উদারতায় এখন শান্তি ফিরেছে।”





