নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে নিট (NEET) ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস নিয়ে যখন তীব্র আন্দোলন ও অসন্তোষ চলছে, ঠিক তখনই বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রকের সচিব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো বিনীত যোশীকে। তবে তাঁকে বরখাস্ত করা না হলেও, শিক্ষামন্ত্রক থেকে সরিয়ে পঞ্চায়েতিরাজ মন্ত্রকে বদলি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এই রদবদল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল।
বিনীত যোশীর বদলি ও পরীক্ষার পরিকাঠামো
১৯৯২ ব্যাচের আইএএস অফিসার বিনীত যোশী ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)-র প্রথম মহাপরিচালক, সিবিএসই-র প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং উচ্চশিক্ষা সচিবের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব সামলেছেন। বর্তমান প্রশ্নবিদ্ধ পরীক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে তাঁর নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকায়, তাঁর এই অপসারণকে নিছক রুটিন প্রশাসনিক বদল হিসেবে দেখতে নারাজ ওয়াকিবহাল মহল।
নতুন উচ্চশিক্ষা সচিব হিসেবে নরেশ পাল গাঙ্গোয়ার
বিনীত যোশীর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ১৯৯৪ ব্যাচের আইএএস অফিসার নরেশ পাল গাঙ্গোয়ার। তবে নতুন দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গেই তাঁর সামনে রয়েছে বিরাট চ্যালেঞ্জ। প্রশাসনিক কাজের পাশাপাশি দেশের লক্ষ লক্ষ ক্ষুব্ধ পড়ুয়ার হারিয়ে যাওয়া আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ফেরানোই এখন তাঁর প্রধান কাজ। এর আগেও সিবিএসই পরীক্ষার ফলাফল ও মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের জেরে শীর্ষ স্তরে রদবদল করেছিল কেন্দ্র।
মূল প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে জবাবদিহি ও সংস্কার নিয়ে
এদিকে, সিজেপি-র (CJP) ব্যানারে যন্তর মন্তরে আন্দোলনরত পড়ুয়ারা শুধুমাত্র একজন আধিকারিক বা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগেই থামতে নারাজ। তাঁদের মূল দাবি, গোটা শিক্ষা ও পরীক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ, নিরাপদ পরিবহন থেকে শুরু করে ডিজিটাল নিরাপত্তা, বহুস্তরের প্রশাসনিক কাঠামোর গাফিলতিতে এই কেলেঙ্কারি ঘটেছে। তাই কেবল মুখ বদল বা রদবদলের মাধ্যমে এই কাঠামোগত ত্রুটি দূর হবে কি না, সেটাই এখন সবথেকে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,
সুপ্রিম কোর্টে স্থগিত ডিএ মামলার শুনানি, অনিশ্চয়তার মুখে সরকারি কর্মচারীরা




