কলকাতা: পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার ইডির স্ক্যানারে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের পরিবার। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছেন মদন-পুত্র শুভরূপ মিত্র। এই মামলায় ইতিমধ্যেই মদনের দুই ছেলেকে তলব করা হয়েছিল। পাশাপাশি, আগামী ২৩ জুলাই মদনের স্ত্রীকে এবং ২৯ জুলাই খোদ বিধায়ক মদন মিত্রকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
কেন এই তলব?
পুরনিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে কামারহাটি ও টিটাগড় পুরসভায় কর্মী নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইডি। তদন্তকারীদের হাতে আসা তথ্য অনুযায়ী, সুপারিশের মাধ্যমে ওই দুই পুরসভায় প্রায় ১২৫ জনের নিয়োগ করা হয়েছিল। এই সুপারিশের নেপথ্যেই মদন মিত্রের নাম রয়েছে বলে সূত্রের খবর। এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে এবং এর পেছনে আর্থিক লেনদেন বা অন্য কোনো সুবিধা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট করতে চাইছে ইডি।
ব্যাঙ্কের নথি তলব ও জেরা
বুধবার দুপুর ১২টার মধ্যে শুভরূপকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই হাতে একটি ফাইল নিয়ে ইডি অফিসে প্রবেশ করেন তিনি। মনে করা হচ্ছে, ব্যাঙ্কের বিভিন্ন লেনদেন সংক্রান্ত নথিপত্র নিয়েই তিনি হাজির হয়েছেন। এর আগে মদন মিত্রের দক্ষিণেশ্বর ও ভবানীপুরের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। মদন মিত্রের স্ত্রী ও দুই ছেলের মোট তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নির্দিষ্ট সময়ের লেনদেন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
কীভাবে সামনে এল এই দুর্নীতি?
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের সময় অয়ন শীলের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছিলেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্র ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভাতেও নিয়োগ-দুর্নীতি হয়েছে বলে জানতে পারে ইডি। এর ভিত্তিতে নতুন করে ECIR দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়। কামারহাটি, টিটাগড়, বরানগর এবং দক্ষিণ দমদম-সহ একাধিক পুরসভায় দুর্নীতির তথ্য উঠে আসে। এমনকি দক্ষিণ দমদম পুরসভার দুর্নীতির তদন্তে এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে। বর্তমানে কামারহাটি ও টিটাগড় পুরসভার ১২৫ জনের নিয়োগ সংক্রান্ত জটেই মদন মিত্রের পুরো পরিবারকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে ইডি।
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,





