শহিদ দিবসের সভাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। মঙ্গলবার তারামণ্ডলের কাছে আয়োজিত তৃণমূল কংগ্রেসের সভার মঞ্চ থেকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) । বক্তব্যে উঠে আসে মিথ্যা মামলা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং দলকে দুর্বল করার অভিযোগের প্রসঙ্গ।
সভামঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূল কর্মী ও নেতাদের বিরুদ্ধে যদি মিথ্যা মামলা করা হয়, তার জবাব ভবিষ্যতে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “মিথ্যা মামলা দিলে ডায়েরিতে লিখে রাখুন, সুদ-সমেত ফেরত দেব। যারা যে ভাষা বোঝে, তাদের সেই ভাষাতেই জবাব।” তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এটিকে হুঁশিয়ারি হিসেবে দেখলেও তৃণমূলের দাবি, এটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে পাল্টা জবাবের বার্তা।
এদিনের সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধীদেরও নিশানা করেন। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের সভার প্রসঙ্গ তুলে তিনি কটাক্ষ করেন। একই দিনে তারামণ্ডলের সামনে তৃণমূলের সভার কিছুটা দূরে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে একটি পৃথক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিষেক বলেন, যারা নিজেদের তৃণমূল বলে দাবি করতেন, তাঁদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সংযোগ কোথায়?
তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “কর্মী কোথায়? জনতা কোথায়?” এরপরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর বক্তব্য, “মমতা যেখানে, জনতা সেখানে।” অভিষেকের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের প্রকৃত শক্তি কোনও ব্যক্তি নয়, বরং দলের সঙ্গে যুক্ত সাধারণ মানুষ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব।
অভিষেক আরও বলেন, (Abhishek Banerjee) তৃণমূল কংগ্রেসের শিকড়ের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেউ যদি দলকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে গদ্দারি বা বেইমানির পথ বেছে নেন, তাতে দলের ক্ষতি হবে না, বরং তৃণমূল আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তাঁর বক্তব্যে দলের কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার বার্তাও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।





