রাজারহাট বিস্ফোরণে জঙ্গি যোগ? পুলিশের জালে শামীম-শাহেনশাহ

কলকাতা: রাজারহাটে গতকালের বিস্ফোরণের ঘটনায় বড় অগ্রগতি। (Rajarhat explosion)পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ মহম্মদ শামিম ও শাহেনশাহ নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশের দাবি, বিস্ফোরণ যে বাড়িতে হয়েছে,…

rajarhat-explosion-arrests

কলকাতা: রাজারহাটে গতকালের বিস্ফোরণের ঘটনায় বড় অগ্রগতি। (Rajarhat explosion)পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ মহম্মদ শামিম ও শাহেনশাহ নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশের দাবি, বিস্ফোরণ যে বাড়িতে হয়েছে, সেই বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিলেন মোহাম্মদ শামিম। আর শাহেনশাহ ছিলেন ভাড়া ব্যবস্থার মধ্যস্থতাকারী। এই গ্রেফতারের পর তদন্ত নতুন মোড় নিয়েছে।

রাজারহাটের ওই বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। পুলিশ প্রথম থেকেই এটিকে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বলে সন্দেহ করছিল। তদন্তে নেমে তারা জানতে পারে, বাড়িটি ভাড়া নেওয়ার পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করছিল। মোহাম্মদ শামিমকে গ্রেফতারের পর পুলিশ জানায়, তিনি ওই বাড়িটি ভাড়া নিয়েছিলেন।

আরও দেখুনঃ ৩ মাসে ৫ শাহী সফর! শুধুই রুটিন না বাংলায় বাস্তব পরিবর্তনের অঙ্গীকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর?

আর শাহেনশাহ স্থানীয়ভাবে ভাড়া ব্যবস্থা করতে সাহায্য করেছিলেন।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুজনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য রাখা, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে সহায়তা এবং প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ আনা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পুলিশ মনে করছে, এই দুজনের মাধ্যমে বিস্ফোরণের পেছনের বড় চক্রের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের কর্মকর্তারা বলেন, “তদন্ত খুবই সংবেদনশীল।

আমরা প্রতিটি সূত্র অনুসরণ করছি। কোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদী তৎপরতাকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।”স্থানীয় বাসিন্দারা এই গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। অনেকেই প্রশাসনের কাছে এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।রাজ্যের বিরোধী দলগুলো এই ঘটনায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা বলছেন, বিজেপি শাসিত কেন্দ্রের সঙ্গে যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

আরও দেখুনঃ হাসপাতালে আটক সোনম! মুক্তির দাবিতে গীতাঞ্জলির মামলার শুনানি দুপুর ৩ টেয়

অন্যদিকে বিজেপি নেতারা বলছেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। এই ধরনের ঘটনা তারই প্রমাণ।পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে যে, ওই বাড়িটি ভাড়া নেওয়ার সময় কিছু সন্দেহজনক কাগজপত্র ব্যবহার করা হয়েছিল। শাহেনশাহ স্থানীয় রিয়েল এস্টেট এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভাড়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। পুলিশ এখন দেখছে, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত। বিস্ফোরকের উৎস এবং উদ্দেশ্য নিয়ে তদন্ত চলছে।

আরও দেখুনঃ Desktop সংস্করণে লগইন বন্ধ! বিশ্বব্যাপী বিভ্রাট ফেসবুকে