নমো ভারত ট্রেনগুলি চলতে পারে ৩ মিনিট অন্তর! ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত রেলের

নয়ডা: ভারতীয় রেলের ইতিহাসে এক অসাধারণ পরিবর্তনের সাক্ষী হচ্ছে দেশ। (Namo Bharat)এনসিআরটিসি (ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়ন ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন) জানিয়েছে, প্রয়োজনে নমো ভারত ট্রেনগুলো মাত্র তিন মিনিট…

namo-bharat-3-minute-interval

নয়ডা: ভারতীয় রেলের ইতিহাসে এক অসাধারণ পরিবর্তনের সাক্ষী হচ্ছে দেশ। (Namo Bharat)এনসিআরটিসি (ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়ন ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন) জানিয়েছে, প্রয়োজনে নমো ভারত ট্রেনগুলো মাত্র তিন মিনিট অন্তর চালানো সম্ভব। এই ঘোষণা রেল ব্যবস্থার দ্রুত উন্নয়নের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

২০১৪ সালের আগে সাধারণ ট্রেনগুলোর মধ্যে বাস্তবিক সর্বনিম্ন হেডওয়ে ছিল ১০ মিনিট বা তারও বেশি। আজকের দিনে অত্যাধুনিক নমো ভারত ট্রেন তিন মিনিট অন্তর চলতে পারবে এই তুলনা সত্যিই অবাক করার মতো।রেল মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, কাভাচ (ক্যাব সিগন্যালিং সিস্টেম) এর বিস্তার এবং পুরোদমে ইলেকট্রিফিকেশনের ফলে রেল ব্যবস্থা এখন অনেক বেশি নিরাপদ, দ্রুত ও দক্ষ হয়ে উঠেছে।

আরও দেখুনঃ ২০৩০ র মধ্যে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে বাণিজ্যের পরিমান হবে ৩৫,০০০ কোটি! ঘোষণা মোদীর

নমো ভারত ট্রেনগুলো আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত। এগুলোতে অটোমেটিক ট্রেন প্রোটেকশন সিস্টেম রয়েছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। ঘন ঘন ট্রেন চলাচলের ফলে যাত্রীদের সুবিধা বাড়বে, ভিড় কমবে এবং শহরতলির যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে।২০১৪ সালের আগে ভারতীয় রেলে হেডওয়ে বা ট্রেনের মধ্যবর্তী সময়সীমা বেশি থাকায় লাইনের সক্ষমতা সীমিত ছিল।

সিগন্যালিং ব্যবস্থা পুরনো ছিল, ইলেকট্রিক লাইন কম ছিল এবং ট্র্যাকের অবস্থাও অনেক জায়গায় খারাপ ছিল। ফলে ট্রেন দেরি, দুর্ঘটনা এবং যাত্রী ভোগান্তি ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। বর্তমানে কাভাচ সিস্টেমের বিস্তারের ফলে মানুষের জীবন আরও নিরাপদ হয়েছে। এই সিস্টেম ট্রেনের গতি নিয়ন্ত্রণ করে, সিগন্যাল অমান্য করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্রেক কষে এবং চালকের ভুলের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

আরও দেখুনঃ ‘জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, ঢাকার মঞ্চে স্পষ্ট বার্তা ভারতের

ইলেকট্রিফিকেশনের ক্ষেত্রেও বড় অগ্রগতি হয়েছে। দেশের বেশিরভাগ রেলপথ এখন বিদ্যুতায়িত। এতে ডিজেল খরচ কমেছে, পরিবেশ দূষণ কমেছে এবং ট্রেনের গতিও বেড়েছে। নমো ভারত ট্রেনগুলো এই আধুনিকীকরণের ফসল। দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে এই ট্রেনগুলো ইতিমধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আরামদায়ক আসন, ওয়াইফাই, সিসিটিভি, স্বয়ংক্রিয় দরজা সব মিলিয়ে যাত্রীদের অভিজ্ঞতা বদলে গেছে।