নয়াদিল্লি: বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিসেম্বরেই দেশে ফিরে যাবার কথা ঘোষণা করেছেন(Mohibul)। এরপরই প্রতিক্রিয়া স্বরূপ বিবৃতি দিয়েছেন আওয়ামী লীগের আরও এক নেতা মহিবুল চৌধুরী। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, দেশে ফিরলে যা ঘটবে তা মোকাবিলা করতে হবে। গত দু’বছর ধরে তারা এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করে আসছেন। চরমপন্থীরা অস্ত্রে সুসজ্জিত বলে পাল্টা প্রতিক্রিয়া আসতে পারে। তিনি আরও বলেন হাসিনার পতনের পরে বাংলাদেশে প্রায় ৭০০ আওয়ামী কর্মী খুন হয়েছেন এবং সংখ্যালঘুদের উপর যথেচ্ছ অত্যাচার হয়েছে।
তবে দল শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে থাকবে।মহিবুল চৌধুরী বলেন, “যা ঘটবে তা আমাদের মোকাবিলা করতে হবে। গত দু’বছর ধরে আমরা এটাই মোকাবিলা করে আসছি। চরমপন্থীরা অস্ত্রে সুসজ্জিত, তাই পাল্টা প্রতিক্রিয়া আসবে। আমরা এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করব এবং সরকারকে রাজনৈতিকভাবে সঠিক ও ন্যায্য আচরণ করতে বলব।”
আরও দেখুনঃ ফের ভারতে নাশকতার ছক বানচাল! সাব্বিরের পর যশোরে গ্রেফতার তাহসিন
তার এই বক্তব্য আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কৌশলের ইঙ্গিত দিচ্ছে।শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণা দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন আশা জাগিয়েছে। দলের অনেক নেতা বিদেশে অবস্থান করছেন। মহিবুল চৌধুরী বলেছেন, তারা প্রস্তুত। তবে চরমপন্থীদের অস্ত্রের শক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সরকার যদি ন্যায্য আচরণ করে তাহলে সংঘাত এড়ানো সম্ভব।
এক প্রশ্নের জবাবে মহিবুল চৌধুরী বলেন, “বর্তমান সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ আছে কি না তা এখানে প্রকাশ করতে পারব না। আমাদের রাজনৈতিক কৌশল অনুসারে, যেসব উপাদান আমাদের রাজনীতিতে ফিরে আসার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখব।” তার এই সতর্ক মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, দল কৌশলগতভাবে এগোচ্ছে।
আরও দেখুনঃ লক্ষ্য ছিল কলকাতায় হামলা! ঢাকা থেকে গ্রেফতার বোমা বানানো NCP নেতা সাব্বির
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল। গত দু’বছরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর নানা চাপ পড়েছে। অনেকে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। শেখ হাসিনার ফেরার ঘোষণার পর দলের নেতারা সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। মহিবুল চৌধুরীর বক্তব্য দলের দৃঢ় অবস্থান প্রকাশ করেছে। তিনি বলেছেন, শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা সমাধানই তাদের লক্ষ্য। কিন্তু প্রয়োজনে মোকাবিলা করতেও প্রস্তুত।




