অযোধ্যা: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ফের খবরের শিরোনামে। (Yogi Adityanath)একটি জনসভায় কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টির (এসপি) বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করে বলেছেন, এই দুটি দল ধর্মীয় বিষয়ে স্পষ্ট দ্বিচারিতা অনুসরণ করছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেস কি কখনো জামা মসজিদে হনুমান চালিসা পাঠের আয়োজন করবে?
তাহলে অযোধ্যার পবিত্র হনুমানগড়ির সিঁড়িতে নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়ার পাপ কেন করা হয়েছিল?”যোগীজির এই বক্তব্য রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক তর্কের ঝড় তুলেছে। তিনি বলেন, সনাতন ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর ক্ষেত্রে বিরোধী দলগুলোর মনোভাব একেবারেই আলাদা। একদিকে তারা রামভক্তদের অনুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগ তোলে, অন্যদিকে হনুমানগড়ির মতো পবিত্র স্থানে অন্য ধর্মের অনুষ্ঠানের অনুমতি দিয়ে হিন্দু ভক্তদের আবেগকে অবজ্ঞা করে।
আরও দেখুনঃ ‘চুপ করাতে হলে আমাকে মারতে হবে’, বিজেপিকে চরম হুঁশিয়ারি মমতার
যোগী আদিত্যনাথ বলেন, “যারা রামভক্তদের ওপর গুলি চালিয়েছিল, তারাই আজ রাম মন্দির নিয়ে রাজনীতি করছে। তাদের দ্বিচারিতা গিরগিটিকেও লজ্জা দেবে।” তিনি আরও যোগ করেন যে, অতীতে কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টির শাসনকালে হনুমানগড়ির সিঁড়িতে নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, যা হিন্দু সমাজের কাছে অত্যন্ত আপত্তিকর।
অথচ জামা মসজিদের মতো স্থানে হনুমান চালিসা পাঠের প্রস্তাব করলে তারা কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়, সেটা সবাই জানে।এই বিতর্কের মূলে রয়েছে অযোধ্যার হনুমানগড়ি। হনুমানজির এই প্রাচীন মন্দির অযোধ্যার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।
আরও দেখুনঃ পাকিস্তানকে ছুড়ে ফেলে যৌথ বৈঠকে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে মাইলফলক আফগানিস্তানের
হাজার হাজার ভক্ত প্রতিদিন এখানে দর্শন করতে আসেন। কিন্তু অতীতে প্রশাসনিক অনুমতিতে এখানকার সিঁড়িতে নামাজের আয়োজন নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। অনেক হিন্দু সংগঠন ও সাধু-সন্ত এটিকে ধর্মীয় অবমাননা বলে মনে করেন। যোগী সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই ধরনের ঘটনা বন্ধ হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
যোগী আদিত্যনাথের বক্তব্যে উঠে এসেছে সমাজবাদী পার্টির অতীত রেকর্ড। তিনি বলেন, এসপি শাসনকালে রামভক্তদের ওপর অত্যাচার হয়েছে। অযোধ্যায় রাম মন্দির আন্দোলনের সময় অনেক নিরীহ ভক্তকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। আজ সেই একই দল রাম মন্দিরকে রাজনৈতিক ইস্যু বানিয়ে ভোট চাইছে। কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ। যোগী বলেন, এই দলগুলো সনাতন ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা দেখায় না, বরং ভোটের রাজনীতির জন্য সংখ্যালঘু তোষণ করে।
আরও দেখুনঃ ‘প্রতিবাদের নাম করে বারবার বঙ্গে দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করেন মমতা!’ বিস্ফোরক শুভেন্দু





