সিআইএ এজেন্ট পরিচয় দিয়ে বিলিয়ন ডলারের চুক্তি! ইন্দোনেশিয়ায় ধরা পড়ল ভারতীয় ব্যবসায়ী

নয়াদিল্লি: ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে (CIA Agent)বহু বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। আন্তর্জাতিক তদন্তমূলক সাংবাদিকতা…

indian-businessman-cia-agent

নয়াদিল্লি: ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলে (CIA Agent)বহু বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তি পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। আন্তর্জাতিক তদন্তমূলক সাংবাদিকতা সংস্থা অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যান্ড করাপশন রিপোর্টিং প্রজেক্ট (ওসিসিআরপি)-এর এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ব্যবসায়ী নিজেকে সিআইএ (সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি) এজেন্ট বলে পরিচয় দিয়ে ইন্দোনেশিয়ার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং বড় বড় প্রতিরক্ষা চুক্তির দরজা খুলে ফেলেন।ওসিসিআরপির প্রতিবেদন অনুসারে, ওই ব্যবসায়ী মিথ্যা দাবি করে বলতেন যে তিনি আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সঙ্গে যুক্ত।

আরও দেখুনঃ জ্বালানি খাতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে আমেরিকা থেকে এলপিজি আমদানি বাড়াচ্ছে মোদী সরকার

এই পরিচয় ব্যবহার করে তিনি ইন্দোনেশিয়ার শীর্ষ নেতৃত্ব ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশ্বাসযোগ্য সম্পর্ক তৈরি করেন। এর ফলে তিনি দেশটির প্রতিরক্ষা খাতের বহু বিলিয়ন ডলারের টেন্ডার ও চুক্তিতে প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ধরনের মিথ্যা পরিচয় ব্যবহার করে তিনি শুধু ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাণিজ্যের জটিল নেটওয়ার্কে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ইন্দোনেশিয়া ও ভারত উভয় দেশেই আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি, তবে সূত্রগুলো জানিয়েছে যে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা ক্রয় প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ফাঁক প্রকাশ করবে।

আরও দেখুনঃ চিন-পাকিস্তানকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম প্রধান দেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক ব্রহ্মস চুক্তি মোদীর

ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই ব্যবসায়ীর নাম প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যিনি বিভিন্ন দেশে ব্যবসায়িক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছেন।ওসিসিআরপির তদন্তে উঠে এসেছে যে, ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে আসছিলেন। তিনি নিজেকে শুধু সিআইএ এজেন্ট বলেই পরিচয় দেননি, বরং আমেরিকান প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলেও দাবি করতেন।

এই মিথ্যা পরিচয় তাঁকে ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা চুক্তির আলোচনায় সহজ প্রবেশাধিকার দিয়েছে বলে অভিযোগ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের কার্যকলাপ আন্তর্জাতিক অস্ত্র বাণিজ্যের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।ভারতীয় কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, ঘটনাটি সম্পর্কে তারা অবগত এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছে। তবে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়নি।

আরও দেখুনঃ চিন-পাকিস্তানকে ধুলোয় মিশিয়ে দিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম প্রধান দেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক ব্রহ্মস চুক্তি মোদীর