হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করতে ৪ লক্ষ পুরস্কার মৌলভীর! দেবভূমিতে বজরং দলের হাতে গ্রুমিং গ্যাং

দেরাদুন: দেরাদুনে দৌরাত্ম করছে গ্রুমিং গ্যাং। (Dehradun)এক হিন্দু তরুণীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আমান কুরেশি নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, হিন্দু…

dehradun-false-identity-case

দেরাদুন: দেরাদুনে দৌরাত্ম করছে গ্রুমিং গ্যাং। (Dehradun)এক হিন্দু তরুণীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে আমান কুরেশি নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, হিন্দু পরিচয় সেজে মেয়েটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিল সে। কিন্তু বজরং দলের সদস্যরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলায় পুরো ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়।

সবচেয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে তার অন-ক্যামেরা স্বীকারোক্তি।আমান কুরেশি নিজের মুখে স্বীকার করেছে, এক মৌলভি তাকে হিন্দু মেয়েকে বিয়ে করার জন্য চার লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিলেন। সে আরও জানিয়েছে, মাদ্রাসায় বিশেষ প্রশিক্ষণ নিয়ে এ ধরনের গ্রুমিংয়ের কাজে নামানো হয়েছিল তাকে।

আরও দেখুনঃ দুদিনের সফরে ইন্দনেশিয়ায় মোদী! দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সম্ভাবনা

ভিডিওতে দেখা যায়, ধৃত যুবক বলছে, “মৌলভি সাহেব বলেছিলেন, হিন্দু মেয়ে বিয়ে করলে চার লাখ টাকা দেবেন।” এই স্বীকারোক্তি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে এবং রাজ্যজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।ঘটনাটি ঘটেছে দেরাদুনের একটি এলাকায়। আমান কুরেশি দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু ছেলের ছদ্মবেশে ওই তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল।

মেয়েটির পরিবার জানিয়েছে, প্রথমে সবকিছু স্বাভাবিক মনে হলেও পরে সন্দেহ হওয়ায় তারা খোঁজখবর নিতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত বজরং দলের কর্মীরা তথ্য পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। ধৃতকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।উত্তরাখণ্ড পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “আমরা পুরো ঘটনা গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। ভিডিওটি সহ সব প্রমান বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

আরও দেখুনঃ চা পাতায় মেশানো হচ্ছিল বিষ! কারখানা ভেঙে পুলিশের দাওয়াই মহম্মদ শাকিলকে

ধর্মীয় ভিত্তিতে প্রলোভন দেখিয়ে কাউকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা আইনের চোখে গুরুতর অপরাধ। যদি আরও কেউ জড়িত থাকে তাদেরও খুঁজে বের করা হবে।” পুলিশ জানিয়েছে, মেয়েটির নিরাপত্তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনায় দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের বিভিন্ন সংগঠন তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। বজরং দলের নেতারা বলেছেন, “এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।

এ ধরনের গ্রুমিং গ্যাংয়ের একটি সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক রয়েছে। মাদ্রাসায় বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে যুবকদের এ কাজে লাগানো হয়। আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছি, পুরো নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া হোক।” স্থানীয় হিন্দু সংগঠনগুলি মেয়েটির পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে এবং দ্রুত বিচারের দাবি তুলেছে।এ ধরনের ঘটনা সমাজে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছে।

আরও দেখুনঃ ইভির উপর জোর ২০৩০ র মধ্যে তেল কেনায় ১লক্ষ সাশ্রয় চায় মোদী সরকার

অনেক অভিভাবক এখন তাদের মেয়েদের বাইরে যাওয়া নিয়ে চিন্তিত। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া ও অনলাইনের যুগে অপরিচিতদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার ঝুঁকি বেড়েছে। উত্তরাখণ্ড সরকার ইতিমধ্যেই ‘লাভ জিহাদ’ সংক্রান্ত আইন প্রয়োগ করে এ ধরনের ঘটনা রোধ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু অনেকের অভিযোগ, বাস্তবে এখনও অনেক ফাঁক রয়ে গেছে।