‘সংবাদমাধ্যম চুপ কেন-মোমবাতি মিছিলের কভারেজ হবে তো?’ বারুইপুর কাণ্ডে প্রশ্ন কুনালের

কলকাতা: বারুইপুরে গতকাল ঘটে গিয়েছে আরও একটি পাশবিক ঘটনা। (Kunal Ghosh)১২ বছরের এক নাবালিকাকে পাশবিক নির্যাতন করে খুন করেছে কিছু মনুষ্যরূপী নরপিশাচ। আরজিকরের অভয়ার ঘটনার…

kunal-ghosh-baruipur-case

কলকাতা: বারুইপুরে গতকাল ঘটে গিয়েছে আরও একটি পাশবিক ঘটনা। (Kunal Ghosh)১২ বছরের এক নাবালিকাকে পাশবিক নির্যাতন করে খুন করেছে কিছু মনুষ্যরূপী নরপিশাচ। আরজিকরের অভয়ার ঘটনার পরে বারুইপুরের এই নৃশংস ঘটনায় ফের উত্তাল বাংলার রাজনৈতিক অঙ্গন। রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে সমাজমাধ্যমে বাংলার সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন তৃণমূল বিধায়ক কুনাল ঘোষ।

কুনাল ঘোষ নিজেও সংবাদ জগতের মানুষ এবং অল্প কয়েকদিন আগেই সংবাদ জগৎ থেকে অবসর নিয়েছেন। তিনি তার ফেসবুকে করা পোস্টে স্পষ্ট বলেছেন “বারুইপুর। ভয়ঙ্কর ঘটনা। বালিকাকে ধর্ষণ করে খুন। এলাকা উত্তপ্ত। রোষে আইন হাতে তুলে নেওয়ার বিপজ্জনক প্রবণতা। এক বজ্জাতের পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগও আছে। পালালো নাকি পালাতে দেওয়া হল?

   

আরও দেখুনঃ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে! বারুইপুর নাবালিকা ধর্ষণে জিরো টলারেন্সের বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

বাংলা মিডিয়ায় দিনভর প্রচার, সন্ধের আলোচনা, মোমবাতি মিছিলের কভারেজ হবে না?” কুনাল তার অনতিদীর্ঘ পোস্টে মূলধারার গণ মাধ্যমগুলোকে প্রশ্ন করেছেন অভয়া কাণ্ডের সময় যেমন ভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তারা। দিনভর সেই খবরের প্রচার চলেছিল। এমনকি রাত দখল থেকে মোমবাতি মিছিল সবকিছুরই কভারেজ চলছিল পুরোদমে। এবারে এই নাবালিকার নৃশংস হত্যাকাণ্ডে কেন চুপ করে আছে তারা।

আরও দেখুনঃ দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা কাটিয়ে রাজগঞ্জে BSF র হাতে বেড়া দেওয়ার জমি

কেন কোন মূলধারার সংবাদ মাধ্যমে ঠিক করে দেখানোই হচ্ছে না এই পাশবিক হত্যাকাণ্ডের খবর তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এছাড়াও আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া অপরাধ একথা যেমন তিনি স্বীকার করেছেন ঠিক তেমনই একজন অভিযুক্ত কেন কি করে পালিয়ে গেল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এলাকাবাসীদের বয়ান অনুযায়ী অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই বিজেপি কর্মী। তবে কি এটাই কারণ গণ মাধ্যমের চুপ থাকার।

আরও দেখুনঃ রাম মন্দিরের অনুদান আত্মসাৎ মামলায় তদন্তে নতুন মোড়, হিসাব ফের খতিয়ে দেখবে SIT

নাকি বিজেপি কর্মী বলেই একজন অভিযুক্ত পালিয়ে যেতে পেরেছে। এমনটাই প্রশ্ন তুলেছেন কুনাল। এই ঘটনায় মুখ খুলেছেন নেটিজেনরাও। সামাজিক মহলের একাংশেও শুরু গুঞ্জন, অনেকেই বলেছেন এলাকার লোক সরাসরি অভিযুক্তদের বিজেপি কর্মী বলে শনাক্ত করেছেন তাই কি বর্তমান সরকার সংবাদমাধ্যমকে চুপ করিয়ে রেখেছে। তবে এসবের উর্ধে গিয়ে জিরো টলারেন্সের বার্তা দিয়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কাউকে ছাড়া হবে না এমনটাই বলেছেন তিনি নির্যাতিতার পরিবারকে। তবে এখন দেখার বিষয় বিচারের বাণী ফের নীরবে নিভৃতে কাঁদবে না তো।