পুশব্যাক হবেই! ১১ টি সীমান্তবর্তী এলাকায় আনসার-প্যারা বাহিনী মোতায়েন শাহের

নয়াদিল্লি: ভারতের অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানের মুখে বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে(Border Security)। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) যখন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর…

bangladesh-border-security-ansar-deployment-11-districts

নয়াদিল্লি: ভারতের অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযানের মুখে বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে(Border Security)। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) যখন অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর অভিযান জোরদার করেছে, তখন বাংলাদেশ তার সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে জোরদার করেছে। বিশেষ করে ১১টি জেলার সীমান্ত এলাকায় আনসার ব্যাটালিয়নসহ প্যারা-পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

অনেক ইউনিটকে দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে প্রায় ৫,০০০ বাংলাদেশি নাগরিককে ভারত থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেছেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ভারতের এই অভিযান চলবে এবং কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। বিএসএফ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সীমান্তে নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা।

Advertisements

আরও দেখুনঃ ছয় মাসের লড়াই শেষে ফিরছেন মিঠুন কর, সিএফএলে সার্দান সমিতির বড় ভরসা

যাঁরা অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।এদিকে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি (বর্ডার গার্ডস বাংলাদেশ) ভারতের এই অভিযানের বিরোধিতা করছে। তারা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যক্তিদের ফেরত নিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে।

বাংলাদেশ সরকার সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত সেনা ও পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।ভারত সরকারের স্পষ্ট বার্তা অবৈধ অনুপ্রবেশ আর সহ্য করা হবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, দেশের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও স্থানীয় সম্পদ রক্ষার স্বার্থে এই অভিযান চলবে। পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়সহ পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে অবৈধ অনুপ্রবেশের সমস্যা দীর্ঘদিনের।

এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছিল। ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতির অভিযোগও উঠেছিল। এখন সরকার সেই সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করছে।শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “যারা অবৈধভাবে এদেশে ঢুকেছে, তাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এটা চলবে। প্রতিবেশী দেশকে বুঝতে হবে যে, অবৈধ অনুপ্রবেশ আর বরদাস্ত করা হবে না।” বিএসএফ সূত্র জানিয়েছে, সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ড্রোন, সিসিটিভি ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করা হচ্ছে।

যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই, তাদের ধরে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া দ্রুত করা হয়েছে।বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এই ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সেখানকার সরকার সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে। আনসার বাহিনীর বড় সংখ্যক সদস্যকে মোতায়েন করা হয়েছে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। একই সঙ্গে দ্রুত প্রতিক্রিয়ার জন্য বেশ কয়েকটি ইউনিটকে স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। বাংলাদেশি মিডিয়ায় খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের পুনর্বাসন নিয়ে সরকার চিন্তিত।