কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে নেওয়া হল বিশেষ সিদ্ধান্ত। (Abhishek Banerjee)বৈঠক শেষে কল্যাণ বলেন দলের সাংগঠনিক পুনর্বিন্যাস, নতুন দায়িত্ব বণ্টন এবং রাজ্য নেতৃত্বে পরিবর্তনের মাধ্যমে তৃণমূল নিজেকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করার বার্তা দিয়েছে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিতভাবে এই সিদ্ধান্তগুলি তুলে ধরেন।
কল্যাণ জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁকে সহায়তা করার জন্য জাতীয় স্তরে দুজন যুগ্ম সম্পাদক নিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা হলেন ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেন। এই দুই নেতা-নেত্রী জাতীয় স্তরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবেন।তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন রাজ্য থেকে প্রস্তাব ও পরামর্শ নিয়ে সেখানকার কমিটি গঠন করা হবে।
তবে তৃণমূলের এই সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি যেখানে দীর্ঘদিন ধরে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের অন্দরে ক্ষোভের বাতাবরণ সেখানে মমতা তাকে ঝেড়ে না ফেলে তাকে ফের সাধারণ সম্পাদকের পদ দিয়েছেন। এতে করে ভবিষ্যতে দলের অন্তর্দ্বন্দ্ব বাড়বে বই কমবে না বলেও মনে করেছেন তারা।
আরও দেখুনঃ অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নোটিশেই শুভেন্দুর পায়ে জাভেদ! বিস্ফোরক কল্যাণ
এর মাধ্যমে দলকে প্রতিটি রাজ্যে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূলের সভাপতি সুব্রত বক্সী বর্তমানে অসুস্থ। তাঁর স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে তাঁর জায়গায় বসানো হয়েছে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “সুব্রত বক্সী এখন শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই তাঁর জায়গায় চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূলের সভাপতি করা হয়েছে।” সঙ্গে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাজেদা আহমেদ, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়সহ আরও কয়েকজন নেতা-নেত্রী।
যুব শাখায় বড় পরিবর্তন এসেছে। সায়নী ঘোষকে যুব তৃণমূলের সভাপতি করা হয়েছে। সর্বভারতীয় তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি হয়েছেন মালা রায়। আর তৃণমূল ছাত্র শাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রিয়াঙ্কা অধিকারীকে।সংগঠনের মুখপাত্র হিসেবেও নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং আমি দায়িত্ব পালন করব। আর রাজ্য স্তরে মুখপাত্র হিসেবে থাকবেন কুণাল ঘোষ।”




















