কলকাতা: ৫৯ জন বিধায়কের সই করা চিঠি নিয়ে স্পিকার রথীন্দ্র বসুর ঘরে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায় (Ritabrata Bandyopadhyay)। তার দাবি অনুযায়ী দুই তৃতীয়াংশ বিধায়ক সংখ্যা নিয়ে তিনি বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হওয়ার প্রস্তাব রাখছেন। ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা এবং ডেপুটি শিউলি সাহা এমনটাই চিঠিতে লেখা আছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে ঋতব্রতর এই দাবি বেআইনি।
তার কারণ তাকে সম্প্রতি দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে। সুতরাং একজন বহিস্কৃত সাংসদ কখনোই দলের মধ্যে নতুন দল তৈরী করে পার্টির চিহ্ন দাবি করতে পারে না। সেক্ষেত্রে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের তৃণমূল ঋতব্রতর বিরুদ্ধে মামলা করতেই পারেন বলে দাবি করেছেন তারা। দলের অন্দরে দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল চাপানউতোর। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাবে সই জালকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক তরজা।
আরও দেখুনঃ ভাঙছে তৃণমূল! বিধানসভায় নাটক, ঋতব্রত শিবিরে বিধায়কদের ভিড় | LIVE Updates
সাংসদ ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এই বিষয়ে দুর্নীতি বা সই জালের দাবি তুলেছিলেন। যার ফলে তাদের দল থেকে বহিস্কার করা হয়। এর পর থেকেই শুরু হয় রাজনৈতিক তরজা। ৫৯ জন বিধায়কের সই সংগ্রহ করে স্পিকারের কাছে গিয়েছেন ঋতব্রত। তার দাবি তারাই আসল তৃণমূল। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে স্পিকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বিলে বিবেচিত হবে। ঋতব্রত বিরোধী দলনেতা হলে তৃণমূল আইনি পদক্ষেপ নিতেই পারে কিন্তু অন্যদিকে সই জাল হওয়া অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের লেখা প্রস্তাবও বাতিল করতে পারেন স্পিকার এমনটাও মনে করছেন তারা।
অন্যদিকে তৃণমূলের চিহ্ন থেকে যেটা বিধায়করা বলেছেন মমতা বন্দোপাধ্যায় তাদের দলনেত্রী থাকবেন কিন্তু অভিষেক বন্দোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে তাদের সমস্যা আছে। কারণ শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাবে জাল হয়েছে সই। তাই এখন বৈঠক শেষে স্পিকার কি সিদ্ধান্ত নেন সেটাই দেখার তবে তৃণমূল ভেঙে খান খান হয়ে যাচ্ছে তা বলাই বাহুল্য।



















