
কলকাতা: বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে নিয়েছেন কড়া অবস্থান (Border Tension)। ‘ডিটেক্ট, ডিটেন, ডিপোর্ট’ অভিযান জোরদার করার পর সীমান্তের ওপার থেকে প্রকাশ্যে উস্কানিমূলক হুমকি দিয়েছে মৌলবাদী সংগঠনের মাথারা। এক বাংলাদেশি মৌলবাদী ভাইরাল ভিডিওতে সরাসরি শুভেন্দু অধিকারীকে লক্ষ্য করে হুমকি দিয়েছেন যে, ডিটেনশন ও পুশব্যাক বন্ধ না হলে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা ‘হামাসের মতো’ উঠে দাঁড়াবে এবং হিন্দুদের উপর আক্রমণ চালাবে।
Kanglu is threatening West Bengal CM Suvendu Adhikari 🇧🇩
> Claims Suvendu Adhikari wants to start a civil war with Kanglus
> Says if oppression against Muslims isn’t stopped, Kanglus in West Bengal will rise up like Hamas and attack Hindus
> He says that for every mosque… pic.twitter.com/h2GFfvhNvN
— do’o kappa (@viprabuddhi) May 26, 2026
তিনি আরও বলেছেন, প্রতিটি মসজিদ ধ্বংসের বদলে ১০টি মন্দির ধ্বংস করা হবে।ভিডিওতে ওই ব্যক্তি দাবি করেন, শুভেন্দু অধিকারী বাংলাদেশি মুসলমানদের সঙ্গে গৃহযুদ্ধ শুরু করতে চান। তিনি অভিযোগ করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের উপর নির্যাতন চলছে এবং এটি বন্ধ না হলে বড় ধরনের প্রতিরোধ গড়ে উঠবে। “যদি মুসলমানদের উপর অত্যাচার বন্ধ না হয়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা হামাসের মতো উঠে দাঁড়াবে এবং হিন্দুদের আক্রমণ করবে” এমনই উস্কানিমূলক বক্তব্য রেখেছেন তিনি।
আরও দেখুনঃমদের দোকান নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতারা এটিকে সরাসরি সন্ত্রাসবাদী হুমকি বলে অভিহিত করেছেন। তাঁরা বলছেন, এই ধরনের বক্তব্য প্রমাণ করে যে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের একাংশ রাজ্যের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সম্প্রীতির বিরুদ্ধে কাজ করছে। পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলি ভিডিওটি খতিয়ে দেখছে এবং ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ করা রাজ্যের নিরাপত্তা ও জনসংখ্যার ভারসাম্য রক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে চলা অবৈধ অনুপ্রবেশ, গরু পাচার, মাদক চোরাচালান এবং সাম্প্রতিক বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে এই অভিযান শুরু হয়েছে। সরকারের যুক্তি, কোনও ধর্মীয় পরিচয় নয়, আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, রাজ্যের কিছু বিরোধী দল এবং সংখ্যালঘু সংগঠন এই অভিযানকে ‘সাম্প্রদায়িক’ বলে অভিযোগ করছে। তাঁরা দাবি করেন, এতে সাধারণ মুসলমান সম্প্রদায়কে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। কিন্তু সরকারি সূত্র জানিয়েছে, শুধুমাত্র যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই এবং যারা অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে তাদেরকেই চিহ্নিত করা হচ্ছে।







