কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে বাংলার রাজনৈতিক আবহাওয়া যথেষ্ট উত্তপ্ত। (Yogi Adityanath)রাজনৈতিক ময়দান থেকে শুরু করে বাংলার আবহাওয়ায় ক্রমশই বাড়ছে উষ্ণতার পারদ। তবে কালবৈশাখী কবে আসবে তা জানা না থাকলেও বাংলায় বুলডোজার ঝড় নিয়ে হাজির হচ্ছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। আগামীকাল থেকেই বাংলায় জনসভা করতে আসছেন তিনি।
১২ এপ্রিল থেকে ২০টিরও বেশি জনসভায় ভাষণ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী। এবারের নির্বাচনে যোগীর পাখির চোখ হবে বাংলার ভেঙে পড়া আইনশৃঙ্খলা। যোগী নিজের রাজ্যে যেভাবে বুলডোজার অ্যাকশন নিয়ে অবতীর্ন হন ঠিক সেই ভাবেই বাংলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে এবারের প্রচারে নামছেন তিনি। প্রচার এবং ভাষণের মাধ্যমে তিনি বুঝিয়ে দেবেন দুষ্কৃতীদের জায়গা জেলে নয়তোবা বা এনকাউন্টারে।
আরও দেখুনঃ সংসদে মোদী-রাহুল সৌজন্য! নজর কাড়ল দুই শীর্ষ নেতার রসায়ন
এই মুহূর্তে বাংলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজনৈতিক থেকে সামাজিক মহলের একাংশ। বিশেষ করে কালিয়াচকের ঘটনার পর তারা প্রশ্ন তুলেছেন যে রাজ্যে বিচারকরা নিরাপদ নয় সেই রাজ্যের মানুষ কিভাবে নিরাপত্তা পাবে। এছাড়াও অনুপ্রবেশ ইস্যুও স্থান পেতে পারে যোগীর ভাষণে। বাঁকুড়ার সোনামুখী থেকে নন্দকুমার সহ ২০ টিরও বেশি জায়গায় সভা করার পরিকল্পনা নিয়েই বঙ্গে পা রাখতে চলেছেন যোগী এমনটাই জানা যাচ্ছে।
কলকাতা থেকে জঙ্গলমহল, উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ প্রায় সব অঞ্চল থেকেই বিজেপির কাছে যোগীর জন্য অনুরোধ আসছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ১২ এপ্রিল থেকে শুরু করে তিনি একটানা ২০টিরও বেশি জনসভা ও রোডশো করবেন। কোনো কোনো দিন দু’তিনটে করে সভা। কর্মীরা বলছেন, “যোগীজির একটা সভাই অনেক কিছু বদলে দিতে পারে।” তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে বিজেপি শিবিরে এখন উৎসাহের জোয়ার।কিন্তু এই উৎসাহের মূলে কী?
উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের শাসনকালে যে ‘বুলডোজার মডেল’ চালু হয়েছে, সেটাই। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান, অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দেওয়া, মাফিয়াদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স এই সবকিছুকে একটা প্রতীকী নাম দেওয়া হয়েছে ‘বুলডোজার’। উত্তরপ্রদেশের অনেক জায়গায় অপরাধের গ্রাফ নাকি অনেকটাই কমেছে। সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মহিলারা, এখন রাতে বেরোতে পারেন বলে দাবি করেন অনেকে। সেই মডেলই এবার পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসতে চাইছে বিজেপি।



















