১০ এপ্রিল থেকে টোল প্লাজায় বন্ধ হচ্ছে নগদ লেনদেন

নয়াদিল্লি: আগামী ১০ এপ্রিল থেকে ভারতের জাতীয় মহাসড়কের সব টোল প্লাজায় নগদ টাকায় টোল দেওয়া (toll plazas cashless)একেবারে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রকের গেজেট নোটিফিকেশন ...

By Sudipta Biswas

Published:

Follow Us
india-toll-plaza-cashless-fastag-upi-rule-april-10

নয়াদিল্লি: আগামী ১০ এপ্রিল থেকে ভারতের জাতীয় মহাসড়কের সব টোল প্লাজায় নগদ টাকায় টোল দেওয়া (toll plazas cashless)একেবারে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রকের গেজেট নোটিফিকেশন অনুসারে, এখন থেকে শুধুমাত্র ডিজিটাল পেমেন্টই গ্রহণ করা হবে। এই নতুন নিয়মের লক্ষ্য হলো টোল প্লাজায় দীর্ঘ লাইন কমিয়ে হাইওয়ে ভ্রমণকে আরও সুগম ও দ্রুত করা।নতুন নিয়মে যদি কোনও গাড়ির সঙ্গে বৈধ FASTag না থাকে, তাহলে চালক UPI-র মাধ্যমে টোল দিতে পারবেন, কিন্তু সেক্ষেত্রে সাধারণ টোলের ১.২৫ গুণ বেশি টাকা দিতে হবে।

অর্থাৎ, যাঁরা FASTag ব্যবহার করবেন না, তাঁদের জন্য খরচ কিছুটা বেশি পড়বে। এই ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর টোল প্লাজায় নগদ লেনদেনের ঝামেলা, কয়েন গোনা, রসিদ দেওয়া সবকিছু শেষ হয়ে যাবে। ফলে যানজট কমবে এবং যাত্রীরা অনেক স্বস্তিতে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ (NHAI) জানিয়েছে, FASTag এখনও প্রধান পেমেন্ট মাধ্যম হিসেবে থাকবে। যাঁদের গাড়িতে FASTag লাগানো আছে এবং ব্যালেন্স আছে, তাঁরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল কাটা যাবে কোনও থামার দরকার নেই।

   

আরও দেখুনঃ গ্রানাডায় বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জিতল ভারতীয় তরুণ শুটার জুটি

শুধুমাত্র যাঁদের FASTag নেই বা অকার্যকর, তাঁরাই UPI-তে ১.২৫ গুণ বেশি দিয়ে পার হতে পারবেন। নিয়ম না মানলে গাড়ি আটকে রাখা বা ই-নোটিস জারির মতো ব্যবস্থাও নেওয়া হতে পারে।এই ডিজিটাল পদক্ষেপের সঙ্গে আরও একটি সুখবর দিয়েছে NHAI। তাদের FASTag Annual Pass-এর গ্রাহক সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৫০ লক্ষেরও বেশি হয়ে গেছে। এই পাসটি মাত্র ৩,০০০ টাকায় এক বছর বা সর্বোচ্চ ২০০ বার টোল পারাপারের সুবিধা দেয়। যাঁরা বছরে অনেকবার হাইওয়ে ব্যবহার করেন, তাঁদের জন্য এটি অত্যন্ত সাশ্রয়ী।

একবার পাস কিনে নিলে প্রতিবার আলাদা করে টোল দিতে হয় না সম্পূর্ণ নিরবচ্ছিন্ন ভ্রমণের সুবিধা মেলে। এই পাস শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অ-বাণিজ্যিক গাড়ির জন্য প্রযোজ্য।সরকারের এই উদ্যোগকে অনেকে “ডিজিটাল ইন্ডিয়া”-র আরেকটি সফল পদক্ষেপ বলে মনে করছেন। আগে টোল প্লাজায় নগদ টাকা দেওয়ার জন্য লম্বা লাইন পড়ত, বিশেষ করে ছুটির দিনে বা ভোর-সন্ধ্যায়।

অনেক সময় ক্যাশ মেশিনে সমস্যা হতো, কয়েনের অভাব দেখা দিত। FASTag চালু হওয়ার পর সেই সমস্যা অনেকটাই কমেছে, আর এখন পুরোপুরি ক্যাশলেস করার ফলে পরিস্থিতি আরও ভালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।তবে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে কিছু উদ্বেগও রয়েছে। যাঁদের স্মার্টফোন নেই বা UPI ব্যবহারে অভ্যস্ত নন, তাঁরা কী করবেন? NHAI জানিয়েছে, FASTag কেনা এখন খুব সহজ। ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস বা অনলাইনে সহজেই FASTag পাওয়া যায়। আর Annual Pass-এর জন্য Rajmargyatra অ্যাপের মাধ্যমে দ্রুত অ্যাক্টিভেশন করা যায়।

Sudipta Biswas

Sudipta Biswas is a senior correspondent at Kolkata24x7, covering national affairs, politics and breaking news.