কলকাতা: ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচারের আবহে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। (Bhabanipur)এই অভিযোগ করেছেন খোদ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ভবানীপুরের নির্বাচনী প্রচারে তাকে সাদা পোশাকের পুলিশ দিয়ে ফলো করা হচ্ছে এই গুরুতর অভিযোগ তুলে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং কলকাতা পুলিশের ভূমিকা। ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
শুভেন্দু দাবি করেছেন, ভবানীপুরে তিনি যখন শান্তিপূর্ণভাবে বাড়ি-বাড়ি প্রচার চালাচ্ছিলেন, তখন সাধারণ পোশাকে থাকা কিছু পুলিশকর্মী তাঁকে অনুসরণ করছিলেন। শুধু তাই নয়, তাঁর সঙ্গে যেসব ভোটার দেখা করছিলেন, তাঁদের নাম-ঠিকানা ও পরিচয় নথিভুক্ত করা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ। এতে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়তে পারে বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, এই ধরনের কার্যকলাপ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং মুক্ত ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বড় বাধা। অভিযোগে আরও দাবি করা হ
আরও দেখুনঃ ব্যারাকপুরের মুসলিম ভোট কার ঝুলিতে? বিস্ফোরক কৌস্তভ
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। দলের একাংশের বক্তব্য, নির্বাচনের আগে এ ধরনের অভিযোগ তুলে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, পুলিশ নিজের দায়িত্ব অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার কাজ করছে, এর সঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের কোনও সম্পর্ক নেই।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভবানীপুর কেন্দ্রটি বরাবরই হাই-প্রোফাইল এবং স্পর্শকাতর। তাছাড়া এবারের নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী মুখোমুখি। ফলে এই কেন্দ্রের গুরুত্ব অনেক বেশি। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই এই ধরনের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।
এদিকে সাধারণ ভোটারদের একাংশের মত, নির্বাচনের সময় যেন কোনওভাবেই ভয় বা চাপের পরিবেশ তৈরি না হয়। তাঁদের মতে, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হল স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার অধিকার। তাই প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের উচিত বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।




















