গত বছর ডিসেম্বর মাসে ডান হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন কিলিয়ান এমবাপে (Kylian Mbappe)। কিন্তু চিকিৎসা হয় বাঁ হাঁটুতে। এরপর তাকে ফিট হিসেবে ঘোষণাও করা হয়। এমনই ভুল চিকিৎসা করার অভিযোগ উঠেছে রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে। এখন প্রশ্ন উঠছে রিয়ালের পেশাদারিত্ব নিয়ে।
৭ ডিসেম্বর ২০২৫, লা লিগায় সেল্টা ভিগোর বিরুদ্ধে খেলার সময় পায়ে চোট পান এমবাপে। প্রথমে রিয়াল মাদ্রিদ স্টাফেরা তাঁর ভুল পায়ের স্ক্যান করেন। তিনি চোট পেয়েছিলেন ডান হাঁটুতে, আর MRI হয় বাঁ পায়ের। সেখানে কোনো ত্রুটি না পাওয়ার তাঁকে ফিট হিসেবে ঘোষণা করা হয় আর খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর তিনি তিনটি ম্যাচও খেলেন। সমস্যা দেখা যায় ওই তিনটি ম্যাচের পর।
তিনটি ম্যাচ খেলার পর এমবাপের বাঁ পায়ের চোট গুরুতর হয়। তখন বাঁ হাঁটুর স্ক্যান করে দেখা যায়, পোস্টেরিয়র লিগামেন্টের কিছুটা অংশ ছিঁড়ে গিয়েছে এমবাপের। এরপরেই নড়েচড়ে বসেন সকলে। তখন আর ওই ক্লাবের চিকিৎসায় ভরসা করতে পারেননি তিনি। চলে যান ফ্রান্স। সেখানে চিকিৎসা করিয়ে ২০২৬ ফেব্রুয়ারি মাসে আবার অনুশীলনে ফেরেন।
শুধু ডান পায়ের জায়গায় বাঁ পায়ে স্ক্যান করানো নয়, চ্যাট জিপিটি দেখে চিকিৎসা করানোর অভিযোগও ওঠে ওই স্প্যানিশ ক্লাবের বিরুদ্ধে। ক্লাবের সাপোর্ট স্টাফেরা কখনো দিয়েছে সাপ্লিমেন্ট, আবার কখনো চ্যাট জিপিটির সাহায্যে চিকিৎসা করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন মাদ্রিদের প্রাক্তন নিউট্রিশনিস্ট ইতজ়িয়ার গঞ্জালেজ। তবে এবিষয়ে ক্লাব বা এমবাপের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি।




















