নয়াদিল্লি: বিশ্বের তাবড় তাবড় রাষ্ট্রনেতাদের পিছনে ফেলে বিশ্বজুড়ে ফের নিজের জনপ্রিয়তা প্রমাণ করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ জনপ্রিয়তার নিরিখে তিনি আবারও বিশ্বের এক নম্বর গণতান্ত্রিক নেতার শিরোপা অর্জন করেছেন। মার্কিন ডেটা অ্যানালিটিক্স ফার্ম ‘মর্নিং কনসাল্ট’-এর সাম্প্রতিকতম সমীক্ষায় ৬৮ শতাংশ অ্যাপ্রুভাল রেটিং নিয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছেন তিনি।
শীর্ষে নরেন্দ্র মোদী
‘গ্লোবাল লিডার অ্যাপ্রুভাল রেটিং ট্র্যাকার’-এর এই তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের অন্যান্য বড় অর্থনীতির দেশের নেতাদের তুলনায় প্রধানমন্ত্রী মোদী অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন। এই সমীক্ষা তাঁর অবিচল দেশীয় জনপ্রিয়তা এবং ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিরই প্রমাণ দেয়। সমীক্ষায় মাত্র ২৬ শতাংশ মানুষ তাঁর কাজের বিরোধিতা করেছেন, যা অন্যান্য বিশ্বনেতাদের তুলনায় অনেকটাই কম।
দ্বিতীয় স্থানে কারা?
মোদীর ঠিক পরেই, অর্থাৎ দ্বিতীয় স্থানে যুগ্মভাবে রয়েছেন সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ুং। তাঁদের উভয়েরই অ্যাপ্রুভাল রেটিং ৬২ শতাংশ। উল্লেখ্য, এই তথ্যগুলি ২ থেকে ৮ মার্চ, ২০২৬-এর মধ্যে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে।
ট্রাম্প, স্টারমার ও ম্যাক্রোঁর বেহাল দশা
প্রথম সারির দেশগুলির রাষ্ট্রনেতাদের রেটিং এই সমীক্ষায় রীতিমতো হতাশাজনক। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অ্যাপ্রুভাল রেটিং মাত্র ৩৯ শতাংশ। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের রেটিং আরও তলানিতে, মাত্র ২৪ শতাংশ।
তালিকার সবচেয়ে নিচের দিকে রয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁ। তাঁর রেটিং মাত্র ১৭ শতাংশ এবং তাঁর কাজে অসন্তুষ্ট ৭৫ শতাংশ মানুষ!
অব্যাহত মোদীর আধিপত্য
মর্নিং কনসাল্ট-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মোদী দীর্ঘদিন ধরেই এই তালিকায় নিজের আধিপত্য বজায় রেখেছেন। এর আগে ২০২৫ সালের জুলাই মাসের রিপোর্টেও ৭৫ শতাংশ রেটিং নিয়ে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় গণতান্ত্রিক নেতা হিসেবে প্রথম স্থানে ছিলেন। সেই সময় দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট এবং তৃতীয় স্থানে ছিলেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জাভিয়ের মাইলি।
সব মিলিয়ে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর এই বিপুল জনপ্রিয়তা দেশের জন্য নিঃসন্দেহে এক বড়মাপের স্বীকৃতি।




















