
২৫ মার্চ, কলকাতা: আইএসএল-এর ২০২৫-২৬ মৌসুমের (ISL 2025-26) ৬ষ্ঠ ম্যাচ-সপ্তাহে ভারতীয় খেলোয়াড়দের থেকে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখা গেছে। যাদের মধ্যে রয়েছেন রাহুল কেপি, সন্দেশ ঝিঙ্গান। এই সপ্তাহের সেরা দশে জায়গা করে নেওয়া অন্যান্য ভারতীয় প্রতিভাদের মধ্যে রয়েছেন আনোয়ার আলী, পি ভি বিষ্ণু, নন্দকুমার সেখর প্রমুখ।
পারফরম্যান্সের পরিসংখ্যান এবং সেরা একাদশে নির্বাচনের মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে, ৬ষ্ঠ ম্যাচ-সপ্তাহের (২০২৫-২৬) সেরা ১০ জন ভারতীয় খেলোয়াড়ের তালিকা নিচে দেওয়া হল :
আনোয়ার আলী : মহামেডান এসসির বিরুদ্ধে লাল হলুদ জার্সিতে অনবদ্য আনোয়ার আলী। তিনি রক্ষণভাগে নিজের আধিপত্য বিস্তার করেছেন এবং দলকে ‘ক্লিন শিট’ (গোল হজম না করা) অর্জনে সহায়তা করেন।
রাহুল কেপি : ওড়িশা এফসি-র হয়ে জোড়া গোল করে রাহুল কেপি উজ্জ্বল পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন।নিজের গতি ও কৌশলের যথাযথ ব্যবহার করে এই উইঙ্গার প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে পরাস্ত করেন এবং এই প্রক্রিয়ায় দুবার নিজের নাম স্কোরশিটে তোলেন।
পি এন নওফাল : মোহনবাগান এসজির বিরুদ্ধে মুম্বাই সিটি এফসি-র জার্সিতে পি এন নওফাল নিজের দ্যুতি ছড়িয়েই চলেছেন। সেরা ভারতীয় খেলোয়াড়দের তালিকায় এটি তাঁর টানা তৃতীয়বারের মতো উপস্থিতি।
রহিম আলী: নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিপক্ষে নিখুঁত নৈপুণ্যের সাথে ওড়িশা এফসি-র আক্রমণভাগের নেতৃত্ব দেন রহিম আলি।দিয়েছেন। রাহুল কেপি-র সাথে তাঁর বোঝাপড়া ছিল চমৎকার, যা তাদের মরশুমের প্রথম জয় এনে দিতে অনুপ্রাণিত করেছে।
ফুর্বা লাচেনপা: মোহনবাগানের বিপক্ষে গোলপোস্টের নিচে ফুর্বা লাচেনপা এক অসাধারণ পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন, যা নিঃসন্দেহে বিশেষ উল্লেখের দাবি রাখে।প্রতিপক্ষের স্ট্রাইকারদের তৈরি করা বিপদ নস্যাৎ করতে তিনি নিজের ক্ষুরধার সচেতনতা এবং শারীরিক নমনীয়তাকে কাজে লাগিয়েছেন।
পিভি বিষ্ণু : গত ম্যাচে ইস্ট বেঙ্গলের হয়ে পিভি বিষ্ণুকে এক নতুন ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল। তাঁকে ‘লেফট ব্যাক’ হিসেবে খেলানো হয় এবং তিনি অত্যন্ত প্রশংসনীয় পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন। বিষ্ণু রক্ষণভাগে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
নাওরেম মহেশ সিং: নওরেম মহেশ সিং বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন এবং ইস্ট বেঙ্গলের হয়ে জাদুকরী পারফরম্যান্স উপহার দেন। নিজের সৃজনশীলতা ও দূরদৃষ্টি দিয়ে তিনি খেলার গতিপথই বদলে দেন এবং ম্যাচটিকে একপেশে লড়াইয়ে পরিণত করেন।
সন্দেশ ঝিঙ্গান: এফসি গোয়ার রক্ষণভাগের কেন্দ্রে সন্দেশ ঝিঙ্গান প্রাচীরের মতো অটল ছিলেন। তিনি শুধু প্রতিপক্ষের স্ট্রাইকারদের গোল করা থেকে বিরতই করেননি, বরং একেবারে শেষ মুহূর্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমতাসূচক গোল করে নিজের দলের জন্য এক পয়েন্টও রক্ষা করেন।
নন্দকুমার সেখর :বনাম মোহামেডান-এসসি এর বিরুদ্ধে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন নন্দকুমার শেখর। মাত্র ২৫ মিনিট খেলেই তিনি নিজের ছাপ রেখে যান।
আশিক কুরুনিয়ান: ইন্টার কাশীর বিপক্ষে বেঙ্গালুরু এফসি-র অ্যাওয়ে ম্যাচে জালের দেখা পান আশিক কুরুনিয়ান।













