উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের গরু পাচারের বিরুদ্ধে কড়া অভিযান অব্যাহত (Cow smuggler)। মোরাদাবাদ জেলায় পুলিশের এনকাউন্টারে দুই অভিযুক্ত আসিফ এবং আমির আহত হয়ে গ্রেফতার হয়েছেন। এই ঘটনা যোগী প্রশাসনের ‘বাংলায় ছাড়!’ নীতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা গরু পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার বার্তা দিচ্ছে।মোরাদাবাদের পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সূত্র থেকে খবর পেয়ে পুলিশ টিম অভিযানে নামে।
অভিযুক্তরা গরু পাচারের চেষ্টা করছিলেন বলে সন্দেহ। পুলিশ যখন তাদের থামাতে যায়, তখন অভিযুক্তরা গুলি চালায়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায়। এতে আসিফ এবং আমির আহত হন। পরে তাঁদের গ্রেফতার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা যাচ্ছে। পুলিশ অস্ত্র, গাড়ি এবং অন্যান্য প্রমাণ বাজেয়াপ্ত করেছে।আসিফ এবং আমিরের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে গরু পাচার সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।
আরও দেখুনঃ মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে ভগবানপুর থানায় বিক্ষোভ বিজেপির
উত্তরপ্রদেশে গরু পাচার একটা বড় সমস্যা। অনেকে গরু নিয়ে বাংলাদেশ বা অন্য রাজ্যে পাচার করে। যোগী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই অপরাধের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি চালু করেছে। পুলিশকে স্পষ্ট নির্দেশ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে, প্রয়োজনে এনকাউন্টার। গত কয়েক বছরে উত্তরপ্রদেশে অনেক এনকাউন্টারে পাচারকারী আহত বা নিহত হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময় হয়েছে।
এই ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকে যোগী সরকারের এই কঠোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন। বলছেন, গরু পাচারের কারণে গ্রামাঞ্চলে অশান্তি বাড়ছে, চুরি-ডাকাতি হচ্ছে। পুলিশের এই অ্যাকশন দৃষ্টান্তমূলক। অন্যদিকে, কেউ কেউ বলছেন, এনকাউন্টারের নামে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ হচ্ছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো প্রায়ই এমন ঘটনায় তদন্তের দাবি তোলে।
তবে সরকারের তরফে বলা হচ্ছে, পুলিশ আত্মরক্ষায় গুলি চালিয়েছে এবং আইন মেনে কাজ করছে।যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন গরু সুরক্ষাকে একটা বড় ইস্যু করে তুলেছে। গরু হত্যা নিষিদ্ধ, পাচারের বিরুদ্ধে কড়া আইন। ‘বুলডোজার অ্যাকশন’ থেকে শুরু করে এনকাউন্টার সবই এই নীতির অংশ। মোরাদাবাদের এই ঘটনা তারই সাম্প্রতিক উদাহরণ। পুলিশ বলছে, আসিফ এবং আমিরের সঙ্গে একটা বড় চক্র জড়িত। তদন্ত করে আরও গ্রেফতার হতে পারে।




















