ওয়াশিংটন: হোয়াইট হাউসে ফের বড়সড় সোশ্যাল মিডিয়া বিভ্রাট! মাত্র এক মাস আগেই প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং তাঁর স্ত্রী মিশেল ওবামাকে নিয়ে একটি চরম আপত্তিকর ভিডিও শেয়ার করার দায় এক কর্মীর ওপর চাপিয়েছিল হোয়াইট হাউস। এবার হরমুজ প্রণালী সংক্রান্ত একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ভুয়ো পোস্টের ক্ষেত্রেও এক ‘ইন্টার্ন’ বা শিক্ষানবিশের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে হাত ধুয়ে ফেলল মার্কিন প্রশাসন।
ঠিক কী ঘটেছিল?
চলতি সপ্তাহে মার্কিন শক্তিমন্ত্রী ক্রিস রাইটের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে আচমকাই একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালী দিয়ে একটি তেলের ট্যাঙ্কারকে এসকর্ট করে বা নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে গিয়েছে।
পোস্ট ডিলিট এবং বিশ্ববাজারে তোলপাড় White House social media controversy
পোস্টটি করার কিছুক্ষণের মধ্যেই তা মুছে ফেলা হয়। পরে হোয়াইট হাউসের তরফ থেকেও এই দাবির কথা সরাসরি অস্বীকার করা হয়। কিন্তু ততক্ষণে যা ক্ষতি হওয়ার তা হয়ে গিয়েছে! ওই স্বল্পস্থায়ী পোস্টের জেরে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি এবং আর্থিক বাজারে ব্যাপক বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা তৈরি হয়। এই ভুয়ো দাবিকে কেন্দ্র করে ইরানি আধিকারিকদের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের রীতিমতো একপ্রস্ত তরজা এবং প্রোপাগান্ডা যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়।
এক মাস আগের ঘটনার পুনরাবৃত্তি
এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে হোয়াইট হাউসের সোশ্যাল মিডিয়া পরিচালনার চরম গাফিলতিকে সামনে এনেছে। কারণ, মাত্র এক মাস আগেই হোয়াইট হাউসের তরফ থেকে বারাক ওবামা এবং মিশেল ওবামাকে বাঁদর হিসেবে চিত্রিত করে একটি অত্যন্ত কুরুচিকর ও বর্ণবিদ্বেষী ভিডিও শেয়ার করা হয়েছিল। বিশ্বজুড়ে সমালোচনার ঝড় উঠলে সেবারও হোয়াইট হাউস সাফাই দিয়ে বলেছিল যে, এক কর্মী ‘ভুলবশত’ ওই ভিডিওটি শেয়ার করে ফেলেছেন! এবারও সেই একই চিত্রনাট্যের পুনরাবৃত্তি দেখা গেল।



















