নয়াদিল্লি, ২৯ জানুয়ারি: দিল্লি হাইকোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে যে আধাসামরিক বাহিনীতে (CISF Personnel) নিযুক্ত সৈনিকদের কমপক্ষে দশ বছর চাকরি করা বাধ্যতামূলক। আদালত বলেছে যে, একজন সৈনিককে প্রশিক্ষণ দিতে রাজ্য লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে, তাই প্রশিক্ষণ শেষ করার পর যদি সে চাকরি ছেড়ে দেয়, তাহলে জমা করা অর্থ ফেরত দেওয়া হবে না। প্রশিক্ষণকালীন সময়ে অন্য চাকরি পাওয়ায় জমা দেওয়া ২.৫৭ লক্ষ টাকা ফেরত চেয়েছিলেন এমন এক প্রার্থীর আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।
দিল্লি হাইকোর্ট স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীতে নিযুক্ত সৈনিকদের কমপক্ষে দশ বছর চাকরি করা বাধ্যতামূলক। আদালতের এই সিদ্ধান্তের কারণ হল, একজন সৈনিককে প্রশিক্ষণ দিতে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ হয়। যদি কোনও সৈনিক পূর্ণ মেয়াদ না করেই চাকরি ছেড়ে চলে যায়, তাহলে রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়।
আবেদন খারিজ
সিআইএসএফ-এ সাব-ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগের জন্য একজন প্রার্থী আদালতে একটি আবেদন করেছিলেন। তিনি তার প্রশিক্ষণের জন্য ব্যয় করা ২,৫৭,৫৪৪ টাকা সুদসহ ফেরত চেয়েছিলেন, কিন্তু আদালত তার আবেদন খারিজ করে দেয়। আদালত বলেছে যে, নিয়োগের সময় প্রতিটি প্রার্থীকে নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে হবে।
নিরাপত্তা আমানত এবং সম্মতিপত্র
আদালত বলেছে যে প্রশিক্ষণের সময় ব্যয় করা অর্থ নিরাপত্তা হিসেবে জমা দেওয়া হয়, যদি নিযুক্ত ব্যক্তি চাকরি ছেড়ে দেন তবে এই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে না। প্রার্থীর কাছ থেকে আগে থেকেই একটি সম্মতিপত্র নেওয়া হয়। এই ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছিল।
জবাবদিহিতা এবং জাতির প্রতি সেবা
শুনানিতে জানা যায় যে আবেদনকারী তার প্রশিক্ষণের সময় অন্যান্য কর্মসংস্থানের বিকল্পগুলি অন্বেষণ শুরু করেছিলেন এবং পরবর্তীতে তাকে জুনিয়র জুডিশিয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে নিযুক্ত করা হয়েছিল। আদালত জানিয়েছে যে, সৈনিক যাতে কমপক্ষে দশ বছর দেশের সেবা করতে পারে তা নিশ্চিত করার জন্য এই জামানত দেওয়া হয়। চাকরি পাওয়ার পরেও বিকল্প খোঁজা নিজের কর্তব্যের প্রতি দায়িত্বজ্ঞানহীনতা প্রকাশ করে।




















