কলকাতা: মুসলিমদের বিরক্ত করা যাবে না। তাহলেই নাকি হবে কোম্পানি বন্ধ (Mamata Banerjee)। ঠিক এমনটাই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। নবান্নে একটি বিশেষ বৈঠকে মমতা বলেন সরকার বন্ধ কে সমর্থন করে না। তার সঙ্গে তিনি যোগ করেন বাংলার মাইনোরিটি মুসলিমদের কখনোই চটানো যাবে না তাহলে তারা রাস্তায় বেরিয়ে সব বন্ধ করে দেবে। এই ইস্যুতেই ফের একবার সরব হয়েছে বঙ্গ বিজেপি।
তারা বলেছে তবে কি রাজ্যে কোনও আইন শৃঙ্খলা নেই। যে যা ইচ্ছে তাই করতে পারে। এই ইস্যুতেই আরও একবার মুসলিম তোষণের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি এবং তার সঙ্গে তুলেছে বেলডাঙা প্রসঙ্গ। এই কিছুদিন আগেই বেলডাঙার এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তাল হয়েছিল বেলডাঙা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ জাতীয় সড়ক এবং রেল পরিষেবা ব্যাহত করে আইন ভঙ্গ করে।
খবর করতে গেলে মার খেতে হয় জনৈক সাংবাদিককেও। এই প্রসঙ্গ তুলে এনেই বিজেপি ফের তৃণমূলের তোষণের রাজনীতিতে আঙ্গুল তুলেছে এবং বলেছে রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা কিছুই নেই। এই ধরণের ঝামেলায় মানুষকে ভুগতে হয়। বিজেপি উদাহরণ দিয়ে বলেছে ২০১৯-২০ সালে CAA NRC প্রতিবাদের সময় মুখ্যমন্ত্রী এই একই কথা বলেছিলেন এবং সেই সময় বেলডাঙ্গায় CAA প্রতিবাদে ব্যাপক হিংসা হয়েছিল, যেখানে ট্রেন, বাস পোড়ানো হয় এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
ভোট বাংলায় প্রথমবার বড় বার্তা নিয়ে রাজ্যে আসছেন নিতিন নবীন
আর সাম্প্রতিক ঘটনা তো সবারই মনে থাকার কথা, কিভাবে রাস্তায় নেমে সংখ্যালঘুরা তান্ডব চালিয়েছিল এবং সেই সময়ও পুলিশ ছিল নীরব দর্শক। কোনো অ্যাকশন নেওয়া হয়নি প্রশাসনের তরফ থেকেই। শুধু রাজনৈতিক মহল নয় সাধারণ মানুষ ও মমতার এই মন্তব্যের পরে প্রশ্ন তুলেছেন যে রাজ্যে কি আইনের শাসন নেই।
তাহলে কি যে কেউ রাস্তায় বেরিয়ে ধর্মঘট করবে এবং তাদের বিরুদ্ধে কিছুই অ্যাকশন নেওয়া হবে না। তারাও প্রশ্ন তুলেছেন যে তাহলে সাধারণ মানুষের সুরক্ষা কে দেবে। কোনো সংস্থা যদি বাংলায় ব্যবসা করতে আসে তাহলে এই পরিস্থিতিতে তাদের সুরক্ষা কে দেবে। তখনও কি প্রশাসন এই ভাবে নীরব দর্শক হয়ে চেয়ে থাকবে। তাহলে তো কখনোই ভালো কোনো সংস্থা বাংলায় এসে ব্যবসা করতে পারবে না এমনটাই প্রতিক্রিয়া জনগণের।




















