বন্দেমাতরমের সার্ধ শতবর্ষে ত্রিবর্ণ আলোয় সেজে উঠল দিল্লি বিধানসভা

দিল্লি বিধানসভা ভবন শুক্রবার রাতে আলোকিত হয়ে উঠল ত্রিবর্ণ আলোয়, ভারতীয় জাতীয় গান ‘বন্দেমাতরম’-এর ১৫০তম (Vande Mataram 150 years) বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে। ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক এই ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
delhi-assembly-tricolour-vande-mataram-150th-anniversary-celebration

দিল্লি বিধানসভা ভবন শুক্রবার রাতে আলোকিত হয়ে উঠল ত্রিবর্ণ আলোয়, ভারতীয় জাতীয় গান ‘বন্দেমাতরম’-এর ১৫০তম (Vande Mataram 150 years) বর্ষপূর্তি উদযাপন উপলক্ষে। ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম প্রতীক এই গানটি রচনা করেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, যিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষদিকে ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের মাধ্যমে দেশপ্রেমের এক অবিস্মরণীয় বার্তা ছড়িয়ে দেন।

এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে দিল্লি বিধানসভার স্পিকার বিজেন্দর গুপ্তা বলেন, “যেভাবে আজ দিল্লি বিধানসভা ত্রিবর্ণ আলোকসজ্জায় জ্বলজ্বল করছে, সেই আলো যেন প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে ঐক্য, গর্ব ও দেশপ্রেমের চিরন্তন শিখা জ্বালিয়ে রাখে।”

   

কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন বহু সাংসদ, বিধায়ক ও বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। পুরো ভবনটি ভারতীয় ত্রিবর্ণ পতাকার রঙে—গেরুয়া, সাদা ও সবুজ—আলোকিত করা হয়।

দিল্লির আকাশে এই উজ্জ্বল আলোকসজ্জা যেন প্রতীক হয়ে উঠেছিল ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের আবেগের। ১৮৭৫ সালে রচিত ‘বন্দেমাতরম’ শুধু একটি গান নয়, এটি ভারতের জাতীয় চেতনার প্রতীক, যা স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় লক্ষ লক্ষ দেশবাসীর মধ্যে উদ্দীপনা জাগিয়ে তুলেছিল।

সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে এই দৃশ্যের ছবি ও ভিডিও। অনেকেই মন্তব্য করেছেন—“এ শুধু এক ভবনের আলোকসজ্জা নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি ও দেশপ্রেমের প্রতীক।”

#VandeMataram150, #VandeMataramAt150, @MinOfCultureGoI, @MIB_India এবং @PMOIndia-এর হ্যান্ডেল থেকেও এই অনুষ্ঠানের ছবি ও বার্তা শেয়ার করা হয়েছে।

এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে পুনরায় উচ্চারিত হচ্ছে সেই চিরন্তন স্লোগান— “বন্দে মাতরম! জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরীয়সী।”

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google