মাথা নয়, টাকা বাঁচাতে হেলমেটের বদলে কড়াই!

নিজের সুরক্ষার জন্য হেলমেট (Helmet) পড়া জরুরী। তবে অনেকেই অবহেলা বশত, অথবা কাছেপিঠে কথাও গেলে পড়তে চান না হেলমেট। কিন্তু ট্রাফিক পুলিশের নজরে পড়লে তো আর রক্ষে নেই! ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

নিজের সুরক্ষার জন্য হেলমেট (Helmet) পড়া জরুরী। তবে অনেকেই অবহেলা বশত, অথবা কাছেপিঠে কথাও গেলে পড়তে চান না হেলমেট। কিন্তু ট্রাফিক পুলিশের নজরে পড়লে তো আর রক্ষে নেই! তাই মাথা নয়, জরিমানার টাকা বাঁচাতে মাথায় কড়াই পরে বাইক সফর করতে দেখা গেল এক ব্যক্তিকে। সম্প্রতি বেঙ্গালুরুর রুপেণা অগ্রহার এলাকায় ব্যস্ত সময়ে এমনই এক অদ্ভুত আরোহীর ছবি ভাইরাল হয়েছে।

যা দেখে নেটিজেন থেকে শুরু করে হতবাক ট্রাফিক পুলিশও (Traffic Police)। দেখা যায়, হেলমেট মাথায় দিয়েই বাইক চালাচ্ছেন এক ব্যক্তি। আর তাঁর পেছনের সিটে মাথায় কড়াই পরে বসে আছেন আরেকজন। এক্সে পোস্ট হওয়া ভিডিওটিতে ইতিমধ্যেই ভিউ ২৮১.৮ হাজার ছাড়িয়েছে। একজন কমেন্ট সেকশনে লেখেন, “বেঙ্গালুরুর যানজট এতই ভয়াবহ, যে এমন দৃশ্য এখানেই দেখা যাওয়া সম্ভব।”

   

https://x.com/karnatakaportf/status/1984616794301349917

আক্ষরিক ভাবেই ওই ব্যক্তি বোঝাতে চেয়েছেন, “আগে সুরক্ষা, পরে জলখাবার”। ট্রাফিক পুলিশও হয়ত ওই ব্যক্তিকে দেখে হেসে ফেলেছেন। এটাই ভারতীয়ের সস্তায় পুষ্টিকর জোগাড়!” আরও একজন লেখেন, “জীবন যদি চালান দেয়, মাথায় বেঁধে নিন কড়াই”। একজন নেটিজেন লেখেন, “ওনার মা হয়ত এখন রান্নাঘরে কড়াই খুঁজে পাচ্ছেন না”।

একদিকে যেমন, এই অভিনব হেলমেট (Helmet) দেখে সমাজমাধ্যমে হাসির রোল উঠেছে, অন্যদিকে, অনেকেই পথ সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একজন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী লেখেন, “কড়াইতে ডিম ভাজা যেতে পারে, কিন্তু মাথা বাঁচাবে না”। ওই ব্যক্তি আরও লেখেন, “দেখতে হাস্যকর হলেও, এটি ভীতিকর। হেলমেট কোনও ফ্যাশন বা রিল বানানোর বস্তু নয়, এটি মানুষের জীবন রক্ষাকারী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বস্তু।” “স্মার্ট থাকুন, নিরাপদ থাকুন এবং ফ্রাইং প্যানটি যেখানকার জিনিস সেখানে রাখুন। ওটি রান্নাঘরে থাকা উচিৎ, আপনার মাথায় নয়”, বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google