ভাইজান ও প্রতিবেশীর আইনি যুদ্ধ, প্রভাব পড়তে পারে সলমনের ক্যারিয়ারেও

সলমন খানের (Salman Khan) সঙ্গে তার প্রতিবেশী কেতন কক্করের সম্পর্ক এক্কেবারে আদায় কাঁচকলায়। ইতিমধ্যেই সলমন মানহানির মামলাও করেছেন কেতনের বিরুদ্ধে , যার শুনানি চলছে আদালতে। ঘটনাটি হল, কেতন ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Updated:

Follow Us

সলমন খানের (Salman Khan) সঙ্গে তার প্রতিবেশী কেতন কক্করের সম্পর্ক এক্কেবারে আদায় কাঁচকলায়। ইতিমধ্যেই সলমন মানহানির মামলাও করেছেন কেতনের বিরুদ্ধে , যার শুনানি চলছে আদালতে। ঘটনাটি হল, কেতন একজন এনআরআই যিনি পানভেলে সলমনের ফার্মহাউসের কাছে এখন থাকেন। তিনি ভাইজানের বিরুদ্ধে অনেক গুরুতর অভিযোগ এনেছেন ।

আসুন জেনে নেওয়া যাক সালমানের বিরুদ্ধে কেতন কী অভিযোগ করেছেন।

   

কেতন কক্কর সলমনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন যে, সলমনের পানভেল ফার্মহাউসে পার্টির সময় যে অভিনেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হত,সেই অভিনেতাদের পরে খুন করে সেখানে তাদের লাশ কবর দেওয়া হয়। তিনি বলেন, আজও সেখানে অভিনেতাদের মৃতদেহ কবর দেওয়া হয়।

সলমনের প্রতিবেশী কেতন অভিনেতার বিরুদ্ধে শিশু পাচারের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, সলমন তার ফার্ম হাউস থেকে শিশুদের পাচারও করেন, যার মাধ্যমে তিনি উপার্জন করেন প্রচুর অর্থ ।

অভিনেতা ডি-গ্যাংয়ের সাথে যুক্ত হওয়ার কথাও বলেছেন কেতন। তাঁর অভিযোগ, সলমন ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের ছাপ ফেলতে পেরেছেন শুধুমাত্র ডি-গ্যাং-এর সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণেই । যাতে তার সামনে কেউ কথা বলতে না পারে তাই সে মানুষকে ভয় দেখায় । ডি-গ্যাং-এর পাশাপাশি বড় নেতাদের সঙ্গেও সলমন খানের সম্পর্ক রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর প্রতিবেশী।

কেতন তাঁর সম্পত্তি দখলের অভিযোগও তুলেছেন অভিনেতার বিরুদ্ধে । অর্পিতার ফার্মহাউসের পাশেই কেতনের ফার্মহাউস, যার কিছু অংশ সলমন তার সম্পত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং তিনি তাকে সেখানে নির্মাণ করতেও দিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন কেতন।

এখন সবথেকে বড় বিষয় হল, বলিউডের ভাইজান সালমান খানের বিরুদ্ধে করা কেতন কক্করের অভিযোগ যদি সত্যি প্রমাণিত হয়, তাহলে ভাইজান বড়সড় বিপদে পড়বেন। এমনকি ওনার কেরিয়ারও ধ্বংস হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা ওয়াকিবহাল মহলের।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google