রাজ্যে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ৩৫ বছরের পুরনো ব্রিজ

ফের রাজ্যে ব্রিজ বিপর্যয় (Bridge Collapsed)। এবার রাজ্যে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ৩৫ বছরের পুরনো ব্রিজ। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। ঘটনাস্থল আবারও সেই বিহার। ১৫ দিনের ব্যবধানে পঞ্চম সেতুটি ভরাট ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

ফের রাজ্যে ব্রিজ বিপর্যয় (Bridge Collapsed)। এবার রাজ্যে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল ৩৫ বছরের পুরনো ব্রিজ। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন। ঘটনাস্থল আবারও সেই বিহার। ১৫ দিনের ব্যবধানে পঞ্চম সেতুটি ভরাট হয়ে ভেঙে পড়ে। সিওয়ানে ভেঙে পড়ল আরও একটি সেতু।

আজ বুধবার মহারাজগঞ্জ মহকুমার পাতেধা গ্রাম ও দেওরিয়া গ্রামের মাঝে গণ্ডক নদীর উপর ৩৫ বছরের পুরনো একটি সেতু ভেঙে পড়ে। ভেঙে পড়ার পর সেতুটি গণ্ডক নদীতে মিশে গেছে। দুর্ঘটনার পর অনেক গ্রামের মধ্যে যান চলাচল স্বাভাবিকভাবেই ব্যাহত হয়েছে। স্থানীয় মানুষদের কাছে এই ব্রিজের গুরুত্ব বিরাট ছিল। যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম ছিল এটি। কিন্তু এখন এটি সকলের চোখের সামনে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছে। এ ঘটনার এলাকায় চাঞ্চল্য । সেতুর নির্মাণ কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। লোকে বলে এই ব্রিজটি ৩৫ বছরের পুরনো। হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম ছিল এটি। যা এখন একেবারেই ভেঙে পড়েছে। সৌভাগ্যক্রমে এ দুর্ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

   

এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান,  ‘আজ সকালে গ্রামবাসীদের কাছে খবর আসে ভোর ৫টার দিকে সেতুটি ভেঙে পড়েছে। সিইও এসেছেন, কিন্তু আর কেউ আসেননি। সেতু ভেঙে পড়ায় ১০ থেকে ২০টি গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। আমাদের দাবি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেতুটি সংস্কার করা হোক।’ 

এর আগে গত ২২ জুন মহারাজগঞ্জ মহকুমার পাতেধা ও গারাউলি গ্রামের মাঝে গণ্ডক খালের ওপর একটি সেতু আচমকাই ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনার পর দুই গ্রামের মধ্যে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। সেতুর নির্মাণ কাজ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। গ্রামবাসীরা বলছেন, ৩০ বছর আগে বিহার সরকার এই সেতুটি নির্মাণ করে। কিছুদিন আগে অধিদপ্তরের খাল পরিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া খালের মাটি কেটে খালের বাঁধের ওপর ফেলা হয়।

ভিডিও নিউজ দেখুন

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google