মিগজাউম জন্ম নিলে সেটি হতে চলেছে চলতি বছরের সবথেকে বড় ঘূর্ণিঝড়, এমনই ইঙ্গিত (Cyclone Alert) দিচ্ছেন সাইক্লোন বিশেষজ্ঞরা। বিভিন্ন মডেল পর্যবেক্ষন ও তুলনামূলক আলোচনা করে তারা বলছেন, বছর শেষে বড় ঘূর্ণি বিপর্যয় আসছে। বঙ্গোপসাগর থেকে এই ঘূর্ণি ভারত, বাংলাদেশ ও মায়ানমার-এই তিন দেশের যে কোনও দিকে যেতে পারে। বিশ্লেষনে বলা হচ্ছে, চলতি বছরে তিনটি ঘূর্ণিঝড় হয়ে গেছে-তেজ, হামুন ও মিধিলি।এবার মিগজাউম নামে সাইক্লোন আসার সমূহ সম্ভাবনা, এটি এ বছরের সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হতে পারে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, আগামী ২৮ থেকে ২৯ শে নভেম্বর এর মধ্যে বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের কারণে ২৯ থেকে ৩০ নভেম্বর এর মধ্যে মিগজাউম জন্ম নেবে। আরও ডিসেম্বরে ১ তারিখের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে২ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশের দিকে ঢুকতে পারে। এবার সাইক্লোনটির গতিপথে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় এলাকার জেলাগুলো থাকার সম্ভাবনা বেশি। আর মায়ানমারের রাখাইন রাজ্য। এই অঞ্চলগুলি দিয়ে ঝড়টি স্থলভাগে আঘাত করার সম্ভাবনা বেশি।
ভারতের উপকূলের দিকে ঘূর্ণির হামলা হচ্ছে না বলে মনে করছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। তবে উপকূলবর্তী ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গের সৈকতে সাগর থাকবে উত্তাল। তবে ঝড় বাংলাদেশের দিকে আসছে ধরে নিয়েই চট্টগ্রাম, কক্সবাজারে জারি সতর্কতা। বাংলাদেশ আবহা়ওয়া বিভাগ জানাচ্ছে,জেলেরা যেন অবশ্যই ২৮ ডিসেম্বরের মধ্যে উপকূলে ফেরত চলে আসেন।হামুন ও মিধিলির থেকে মিগজাউম বেশি শক্তিশালি হওয়ার সম্ভাবনা।




















