বাংলা পক্ষর (Bangla pokkho) প্রতিবাদ ও চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি। বাঙালির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইলেন বাঙালি বিদ্বেষী মন্তব্যকারী ইউটিউবার, বিজনেস কনসালট্যান্ট তথা মোটিভেশনাল স্পিকার বিবেক বিন্দ্রা।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রায় একবছর আগে বাঙালির সংস্কৃতি, জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস নিয়ে একাধিক আপত্তিজনক মন্তব্য করে বিবেক বিন্দ্রা। সেই সময় বিন্দ্রার বিরুদ্ধে বেশ কিছু এফআইআর অনেকে করেছে, কোন ফল হয়নি। আই এম এ ৬০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছিল, মামলা খারিজ হয়ে গিয়েছে একদিনে।
কিছুদিন আগে বাংলা পক্ষর নজরে আসে বিন্দ্রা আগামী ১৫ জানুয়ারি কলকাতার সায়েন্স সিটিতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে আসছেন। তখন থেকেই বাংলা পক্ষ নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা ছাড়া বিবেককে কলকাতায় ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে জানায়।
গতকাল সংগঠনের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দেন ২৪ ঘন্টার মধ্যে ক্ষমা না চাইলে ১৫ জানুয়ারি বিবেককে কলকাতায় ঢুকতে দেওয়া হবে না। এরপর গতকাল রাতেই নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ও টুইটার থেকে লিখিত ক্ষমা চান বিবেক বিন্দ্রা। আজ বাঙালি বিদ্বেষী ভিডিও ডিলিটও করা হয়।
এই ঘটনা বাংলা পক্ষ তথা বাঙালির নৈতিক জয় বলেই মনে করছে বাংলা পক্ষ নেতৃত্ব। তারা বলছেন, ‘বাঙালিকে অপমান করেও বাংলার মাটিতে বুকফুলিয়ে ঢোকার দিন শেষ, বাংলায় ঢুকতে গেলে মাথা নীচু করে ক্ষমা চেয়েই ঢুকতে হবে।’
কৌশিক মাইতি বলেন, ‘এরপর বাঙালি বিদ্বেষী মন্তব্য করতে যে কেউ দুবার ভাববে, এখন বাংলায় বাংলা পক্ষ আছে। অতীতে বাঙালি বাংলাদেশী, রোহিঙ্গা, উইপোকা বলে কেউ ক্ষমা চায়নি, বাংলায় গণহত্যাকারী বর্গী থেকে ইংরেজ ক্ষমা চায়নি, তাই আজকের এই ক্ষমাপ্রার্থনা নতুন দৃষ্টান্ত তৈরী করল’।
সেইসঙ্গে বাংলা পক্ষ নেতৃত্ব জানান যে এই অনুষ্ঠানে মূল উদ্যোক্তা এক বাঙালি তরুণ ব্যবসায়ী। বাংলা পক্ষ বাঙালি ব্যবসায়ীর সাফল্য চায়, তার আর্থিক ক্ষতি চায় না। তবে এই ধরনের বাঙালি বিদ্বেষী ব্যক্তিদের থেকে বাঙালির তরুণ প্রজন্মের ব্যবসায়ীদের দূরে থাকার পরামর্শও দেন তাঁরা।




















