মৃতের সংখ্যা ৩২, থাইল্যান্ডের কাছে যুদ্ধ থামানোর আর্জি কম্বোডিয়ার

Thailand-Cambodia Clash: তৃতীয় দিনে পড়ল থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার সংঘর্ষ। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে হাজার হাজার মানুষ খুঁজছে আশ্রয়। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৩২। তিনদিনে দুই দেশের মধ্যে গোলাগুলির পর অবশেষে শনিবার থাইল্যান্ডের ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us
Thailand-Cambodia-clash

Thailand-Cambodia Clash: তৃতীয় দিনে পড়ল থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার সংঘর্ষ। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে হাজার হাজার মানুষ খুঁজছে আশ্রয়। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৩২। তিনদিনে দুই দেশের মধ্যে গোলাগুলির পর অবশেষে শনিবার থাইল্যান্ডের কাছে যুদ্ধ থামানোর আর্জি জানাল কম্বোডিয়া।

Thailand-Cambodia Clash: যুদ্ধ-বিরতির আর্জি

   

কম্বোডিয়ার রাষ্ট্রদূত ছেয়া কেও রাষ্ট্রসংঘে (UN Security Council) বলেন, “থাইল্যান্ডের সঙ্গে আমরা নিঃশর্তভাবে সংঘর্ষবিরতির আর্জি জানিয়েছি। দুই দেশের বিরোধের আমরা শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই।” তবে থাইল্যান্ড এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। বৃহস্পতিবার ভোররাত থেকে শুরু হয়েছে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘর্ষ। সংঘর্ষের ফলে দুই দেশে বইছে রক্তের বন্যা।

Thailand-Cambodia Clash: কী নিয়ে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সংঘাত?

‘এমারেলড ত্রিকোণ’ নামক একটি এলাকাকে নিয়ে দীর্ঘদিনের সংঘাত থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার। যেখানে মিলিত হয়েছে কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওসের সীমানা। এই এমারেলড ত্রিকোণে রয়েছে কয়েকটি প্রাচীণ মন্দির। এই মন্দিরগুলি নিয়ে সংবেদনশীল তিন দেশের সাধারণ মানুষেরা। এর আগে এই এলাকা দখল করা নিয়ে ১৫ বছর আগে ভয়াবহ সংঘর্ষ হয় থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে। এরপর নতুন করে সংঘর্ষে দুই দেশ জড়ায় গত মে মাসে।

Thailand-Cambodia Clash: ফের অশান্ত থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্ত

ফের অশান্তি ছড়িয়েছে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে। জানা গিয়েছে বৃহস্পতিবার ভোরবেলা থেকে গোলাগুলি চলা থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সেনাদের মধ্যে। এরপর কম্বোডিয়ায় প্রবেশ করে F-16 ফাইটার জেট দিয়ে হামলা চালায় থাইল্যান্ডের সেনা। এই পরিস্থিতিতে শুক্রবার থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জানান যে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে। ইঙ্গিত দেন যে দ্রুত পুরোদমে যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google