খাইবার পাখতুনখোয়ায় ফের ভেঙে পড়ল বিমান! নিহত ২ পাক পাইলট

ইসলামাবাদ: পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া (Mardan)প্রদেশের মর্দান জেলার সাওয়ালধের এলাকায় সোমবার (১৫ জুন) একটি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর (PAF) প্রশিক্ষণ বিমান নিয়মিত প্রশিক্ষণ মিশনের সময় ভেঙে পড়ে।…

mardan-paf-training-aircraft-crash

ইসলামাবাদ: পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া (Mardan)প্রদেশের মর্দান জেলার সাওয়ালধের এলাকায় সোমবার (১৫ জুন) একটি পাকিস্তান বিমান বাহিনীর (PAF) প্রশিক্ষণ বিমান নিয়মিত প্রশিক্ষণ মিশনের সময় ভেঙে পড়ে।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা দুই পাইলটের মৃত্যু হয়েছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জনসংযোগ শাখা আইএসপিআর জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন পাকিস্তান বিমান বাহিনীর ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মহম্মদ কাসিম আবদুল্লাহ এবং পাকিস্তান নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট ত্বহা আব্বাসি। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

   

আরও দেখুনঃhttps://kolkata24x7.in/west-bengal/cm-suvendu-adhikari-inaugurates-jan-kalyan-shivir-in-nandigram-reyapara/

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি একটি নিয়মিত প্রশিক্ষণ উড্ডয়নে অংশ নিয়েছিল। উড্ডয়নের কিছু সময় পরই প্রযুক্তিগত বা যান্ত্রিক সমস্যার কারণে সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মর্দানের একটি উন্মুক্ত এলাকায় ভেঙে পড়ে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি, বিমান বাহিনীর সদর দফতর ইতিমধ্যে একটি বোর্ড অব ইনকোয়ারি গঠন করেছে।

দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল এবং নিরাপত্তা বাহিনী পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি জানিয়েছেন, বিমানের ধ্বংসাবশেষ পড়ার ফলে মাটিতে থাকা অন্তত তিনজন সাধারণ নাগরিক আহত হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এই ঘটনায় পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। নিহত দুই পাইলটের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তাঁদের আত্মত্যাগের প্রশংসা করা হয়েছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি দাবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে গত দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পাকিস্তানে চারটি বিমান বা হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে উপলব্ধ তথ্য ও নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্র অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। বর্তমানে এমন কোনও প্রমাণ বা সরকারি তথ্য নেই যা গত ২-৩ দিনের মধ্যে চারটি পৃথক বিমান দুর্ঘটনার কথা নিশ্চিত করে।

তবে এর আগে, ১০ জুন পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের মুজাফফরাবাদের কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি Mi-17 হেলিকপ্টার উড্ডয়নের সময় প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ভেঙে পড়ে। সেই দুর্ঘটনায় হেলিকপ্টারে থাকা সকল সেনাসদস্যের মৃত্যু হয়। পরবর্তীতে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই ঘটনায় ২২ জন সেনাকর্মী প্রাণ হারিয়েছিলেন। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তখনও একটি তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়েছিল।