তেহরান: দেশের সামরিক ক্ষমতার দখল নিয়েই অপারেশন শুরু IRGC র। (IRGC Operation)ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘোষণা করেছে যে তারা অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪-এর ওয়েভ ৯০, ফেজ ২ শুরু করেছে। এই অভিযানে ইসরায়েলের বিভিন্ন এয়ার বেস ও সামরিক কেন্দ্রসহ কুয়েত, সৌদি আরবের মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি রাডার সিস্টেমে আঘাত হেনেছে বলে ইরানি রাষ্ট্রীয় মিডিয়া জানিয়েছে।
পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা যেন ক্রমশই আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ছে। ফেব্রুয়ারি মাসে আমেরিকা এবং ইসরায়েলের যৌথ অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-তে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর থেকেই তেহরান পাল্টা আক্রমণের ঝড় তুলেছে। ‘ট্রু প্রমিস ৪’ নামের এই বড় অভিযানের অংশ হিসেবে আইআরজিসি এখন পর্যন্ত প্রায় প্রতিদিনই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও দেখুনঃ আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে প্রতারক বলে কটাক্ষ ক্রীড়া মন্ত্রীর
ওয়েভ ৯০-এর দ্বিতীয় পর্যায়ে ইরান দাবি করেছে, তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আক্রমণাত্মক ড্রোনগুলো সফলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।ইরানি সূত্র অনুসারে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরে একাধিক এয়ার বেস ও সামরিক স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। এছাড়া কুয়েত ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রারম্ভিক সতর্কতা রাডার সিস্টেমও নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
আইআরজিসি’র পাবলিক রিলেশনস অফিস এক বিবৃতিতে বলেছে, এই হামলা যথাযথ প্রতিশোধ’ এবং ‘শহীদদের রক্তের বদলা’। তারা আরও জানিয়েছে, অভিযানটি ‘ইয়া মান হু শাদিদ আল-ইকাব’ কোডনেমের অধীনে চালানো হয়েছে।এদিকে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখনও বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া আসেনি, তবে কিছু প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকগুলো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন আটকে দিয়েছে। তবে ইরানি ফুটেজে দেখা গেছে, রাতের আকাশে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের দৃশ্য, যা সত্যিই চোখ ধাঁধানো। এই হামলাগুলো শুধু সামরিক ঘাঁটিতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকেও বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।



















