নেতানিয়াহুর অফিসে প্রাণঘাতী হামলার দাবি ইরানের

তেল আবিব: ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (Iran missile attack) একটা বড় দাবি করে বসেছে। তারা সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর অফিসে আঘাত হেনেছে বলে…

iran-claims-missile-attack-netanyahu-office-tel-aviv

তেল আবিব: ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (Iran missile attack) একটা বড় দাবি করে বসেছে। তারা সরাসরি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর অফিসে আঘাত হেনেছে বলে ঘোষণা করেছে। তেল আভিভে অবস্থিত এই অফিসকে তারা ‘ক্রিমিনাল প্রাইম মিনিস্টারের অফিস’ বলে উল্লেখ করে জানিয়েছে যে, ‘খাইবার শেকান’ ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে এই ‘টার্গেটেড অ্যান্ড সারপ্রাইজ’ আক্রমণ চালানো হয়েছে।

এই দাবি এসেছে সোমবার সকালে, যখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। আইআরজিসি আরও বলেছে যে, ইসরায়েলি এয়ার ফোর্সের কমান্ডারের অবস্থানও একই সঙ্গে লক্ষ্য করে আঘাত করা হয়েছে। তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, নেতানিয়াহুর ‘ভাগ্য অস্পষ্ট’ অর্থাৎ তিনি সেই সময় অফিসে ছিলেন কি না, বা আক্রমণের পর তাঁর অবস্থা কী, তা নিয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।

Advertisements

আরও দেখুন: দোলের আগে রাজ্যবাসীকে উপহাার, কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর

এই ঘটনা আসলে বড় একটা প্রেক্ষাপটের অংশ। গত শনিবার থেকে আমেরিকা ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর এই আক্রমণ আরও তীব্র হয়েছে। ইরানের নিউক্লিয়ার সাইট, মিসাইল ভাণ্ডার, রেভল্যুশনারি গার্ডের হেডকোয়ার্টার সবকিছুতে হামলা চলছে।

এর জবাবে ইরানও পালটা আক্রমণ শুরু করেছে। তারা মার্কিন ঘাঁটি, ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা এবং এখন নেতানিয়াহুর অফিসকেও টার্গেট করার দাবি করছে। আইআরজিসি এটাকে ‘দশম তরঙ্গ’ বলে উল্লেখ করেছে, যার মানে এর আগেও একাধিকবার মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

তবে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এই দাবির কোনো সরাসরি স্বীকৃতি আসেনি। আইডিএফ (ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্স) জানিয়েছে যে, আসা মিসাইলগুলোকে আয়রন ডোম ও অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে। কিছু রিপোর্টে বলা হচ্ছে, তেল আভিভের ওপর দিয়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, সাইরেন বেজেছে, কিন্তু নেতানিয়াহুর অফিসে সরাসরি আঘাতের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ এখনও নেতানিয়াহুর অবস্থান বা নিরাপত্তা নিয়ে কোনো বিবৃতি দেয়নি। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, এটা আইআরজিসির প্রোপাগান্ডা হতে পারে যাতে ঘরোয়া সমর্থন বাড়ানো যায় এবং শত্রুপক্ষকে মানসিক চাপে রাখা যায়।