
ওয়াশিংটন: আমেরিকার নতুন স্টেলথ বোম্বার বি-২১ রেইডার (B-21 Raider)-একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে। আজ প্রথমবারের মতো মাঝ আকাশে রিফুয়েলিং (aerial refueling) সম্পন্ন করেছে এই অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান। এই অপারেশনের সময় একটি এফ-১৬ ফাইটার জেট এসকর্ট হিসেবে সঙ্গ দিয়েছে, যা ফ্লাইট টেস্টিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।ইউএস এয়ার ফোর্স এবং নর্থরপ গ্রুম্যানের যৌথ প্রকল্প এই বি-২১ রেইডার বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত স্টেলথ স্ট্র্যাটেজিক বোম্বার হিসেবে বহুল চর্চিত।
BREAKING ????
???????? America’s new B21 Raider stealth bomber was refueled in mid air for the first time today.
The operation was accompanied by an F16 escort, marking a milestone in the bomber’s flight testing. pic.twitter.com/uJ9autJSgm
— Hinduism_and_Science (@Hinduism_sci) March 11, 2026
এটি বি-২ স্পিরিটের উত্তরসূরি এবং ছয় প্রজন্মের প্রযুক্তিতে তৈরি। ক্যালিফর্নিয়ার মোজাভে মরুভূমির উপরে কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার থেকে রিফুয়েলিং করেছে বি-২১। এই মিশন প্রায় ৫ ঘণ্টা ৩৩ মিনিট স্থায়ী ছিল। ফটোগ্রাফাররা এই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেছেন, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে।এডওয়ার্ডস এয়ার ফোর্স বেস থেকে উড়ে আসা এই টেস্ট ফ্লাইটে বি-২১-এর রিফুয়েলিং রিসেপ্ট্যাকল এবং সিস্টেমের কার্যকারিতা যাচাই করা হয়েছে।
আরও দেখুনঃ ‘বিদেশে আটকে ভারতীয়রা, রিল বানাচ্ছে কংগ্রেস’! কেরলে তোপ মোদীর
মাঝ আকাশে রিফুয়েলিং সফল হওয়ায় বি-২১-এর রেঞ্জ এবং এন্ডুরেন্স অনেক বেড়ে যাবে। এটি গ্লোবাল স্ট্রাইক ক্যাপাবিলিটি বাড়াবে, যাতে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে দ্রুত পৌঁছে আক্রমণ করতে পারে কোনো ফরওয়ার্ড বেস ছাড়াই। বি-২১-এর ডিজাইন এমন যে এটি রাডারে প্রায় অদৃশ্য, এবং এখন রিফুয়েলিংয়ের মাধ্যমে এর মিশন সময় আরও লম্বা হবে।এফ-১৬ এসকর্টের উপস্থিতি টেস্টিংয়ের নিরাপত্তা এবং প্রোটোকল দেখায়।
এটি শুধু এসকর্ট নয়, ফ্লাইট প্যাটার্ন, কমিউনিকেশন এবং সমন্বয়ের পরীক্ষা। বি-২১-এর প্রথম ফ্লাইট হয়েছিল ২০২৩ সালের নভেম্বরে, এবং ২০২৫ সালে দ্বিতীয়টি উড়েছে। এখন দুটি বি-২১ ফ্লাইট টেস্টে রয়েছে, এবং প্রোগ্রাম দ্রুত এগোচ্ছে।ইউএস এয়ার ফোর্স ফেব্রুয়ারিতে নর্থরপ গ্রুম্যানের সঙ্গে চুক্তি করে প্রোডাকশন ক্যাপাসিটি ২৫ শতাংশ বাড়িয়েছে। এতে প্রথম অপারেশনাল বি-২১ ২০২৭ সালে এলসওয়ার্থ এয়ার ফোর্স বেসে পৌঁছাবে।
বি-২১-এর ফ্লিট ১০০+ হবে, যা নিউক্লিয়ার এবং কনভেনশনাল মিশনে ব্যবহার হবে। এটি আমেরিকার স্ট্র্যাটেজিক ডিটারেন্সের মূল অংশ।এই মাইলফলক টেস্টিংয়ের গতি দেখায়। রিফুয়েলিং সফল হওয়ায় ভবিষ্যতে আরও লম্বা ফ্লাইট, ওয়েপন টেস্ট এবং সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন সম্ভব হবে।

