সোহিনী পোড়েল, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে ত্রিমুখী সংঘাতের ছায়া বিশ্বজুড়ে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup)থেকে বিদায় নিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকা। তবুও মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় ভারতে আটকে থাকতে হয় ৩ দেশের ক্রিকেটারদের। অবশেষে তাঁদের ঘরে ফেরাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয় আইসিসি। স্বস্তির নিঃশ্বাস ক্যারিবিয়ানদের। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ভারতে আটকে থাকার পর অবশেষে দেশে ফিরছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারতের কাছে নতজানু হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের। এরপর থেকে ভারতে আটকে থাকে ৩ দেশের ক্রিকেটাররা।
গত বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় চার শব্দের একটি পোস্ট করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হেড কোচ ড্যারেন স্যামির। তিনি লিখেছেন, “I just wanna go home. অর্থাৎ, আমি যে কোনও উপায়ে বাড়ি ফিরতে চাই।” অন্য একটি পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, “অন্তত একটা আপডেট দিন, কিছু তো বলুন— আজ, কাল না হলে আগামী সপ্তাহে। পাঁচ দিন হয়ে গেল।“ শনিবার আরও একটি পোস্ট করে ক্যারিবিয়ান কোচ বোঝাতে চান কলকাতায় ৬ দিন ধরে আটকে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। সোমবারই কলকাতা ছেড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন ক্যারিবিয়ান কোচ ড্যারেন স্যামি। সম্ভবত মঙ্গলবার দেশে ফিরবেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বাকি ক্রিকেটাররা।
তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, শনিবার মুম্বই থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা। ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন জানান, “বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ড ছিটকে গিয়ে শনিবার দেশে ফিরল। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ-দক্ষিণ আফ্রিকা আগে বিদায় নিলেও এখনও কলকাতায় আটকে রয়েছে। ক্ষমতার অপব্যবহার এটাকেই বলে। এই পরিস্থিতিতে সব দলকেই সমান চোখে দেখা উচিৎ। কোনও দেশের বোর্ড বেশি ক্ষমতাশালী, সেটা বিচার করা ঠিক নয়।“ যদিও ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভনের অভিযোগ নস্যাৎ করে দেন আইসিসির এক কর্তা। তিনি জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যখন যেমন সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে, তখন তেমন দেশে পাঠানো হচ্ছে ক্রিকেটারদের। এখানে কোনও পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি।




















