বিকেল ৪টে থেকেই শুরু রণকৌশল! ইডি-র ‘ডেটা চুরি’র প্রতিবাদে বড় নির্দেশ মমতার

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক (I-PAC) দফতরে ইডি-র হানা ঘিরে নজিরবিহীন রণক্ষেত্রের চেহারা নিল তিলোত্তমা। কয়লা পাচার মামলার সূত্রে এদিন সল্টলেকের সেক্টর…

Mamata Banerjee Alerts Gyanesh Kumar Again Over Flaws in the SIR Process

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক (I-PAC) দফতরে ইডি-র হানা ঘিরে নজিরবিহীন রণক্ষেত্রের চেহারা নিল তিলোত্তমা। কয়লা পাচার মামলার সূত্রে এদিন সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ এবং আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে একযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। এই খবর পাওয়া মাত্রই প্রশাসনিক প্রোটোকল ভেঙে প্রথমে প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং পরে সল্টলেক অফিসে সশরীরে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisements

“ক্ষমতা থাকলে সামনাসামনি লড়ুন”, বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ মমতার

সেক্টর ফাইভের অফিস থেকে বেরিয়ে রীতিমতো অগ্নিশর্মা মেজাজে ধরা দেন মুখ্যমন্ত্রী। সরাসরি বিজেপিকে ‘চোর-ডাকাত’ সম্বোধন করে তিনি বলেন, “ভোটারের নাম বাদ দিয়ে, ডেটা চুরি করে আর মানুষের ওপর অত্যাচার করে জেতা যাবে না। ক্ষমতা থাকলে সামনাসামনি লড়ুন। বাংলাকে বিরক্ত করলে জেনে রাখুন গোটা দেশ বিরক্ত হবে।” এর প্রতিবাদে আজ বিকেল ৪টে থেকে রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে ও ওয়ার্ডে তৃণমূলের তরফে প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছেন তিনি।

   

সুর চড়ালেন ব্রাত্য বসুও TMC protest against ED raid on I-PAC

এই ঘটনায় সরব হয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। তিনি এই তল্লাশিকে বিজেপির ‘দুর্যোধন’ সুলভ আচরণের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেলায় জেলায় ঘুরছেন বলেই তাঁকে ব্যতিব্যস্ত করার এই চেষ্টা। মানুষ এর উপযুক্ত জবাব দেবে।” অবিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোতে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক উত্তাপ

দিল্লিতে দায়ের হওয়া একটি পুরনো কয়লা পাচার মামলার সূত্র ধরে এদিন সকাল থেকেই আইপ্যাকের অফিসে ফরেন্সিক টিম নিয়ে হানা দেয় ইডি। সেখানে পৌঁছে যান কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মাও। পাল্টা তোপ দাগতে ছাড়েনি বিজেপি-ও। একদিকে তৃণমূল যখন একে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ বলছে, অন্যদিকে বিজেপি একে ‘তদন্তে বাধাদান’ হিসেবে চিহ্নিত করছে। ভোটের মুখে এই ঘটনায় বাংলার রাজনৈতিক আঙিনা এখন কার্যত অগ্নিগর্ভ।

Advertisements