রাজ্যপালের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট বিজেপি, দেখা করতে চান শুভেন্দু

38
suvendu adhikari la ganesan

কয়েকমাস আগের কথা। রাজ্য রাজনীতিতে অন্যতম চর্চিত অধ্যায় ছিল রাজ্য বনাম রাজ্যপালের সংঘাত। সেই অধ্যায়ের নিউক্লিয়াসে অবস্থান ছিল প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের। তাঁর ভূমিকা নিয়ে শাসক দলের নেতারা বিজেপির প্রতিনিধি বলে কটাক্ষ করতেন৷ জগদীপ ধনকড়ের রাজ্যপালের পাঠ মিটেছে। তিনি এখন উপরাষ্ট্রপতি৷ রাজ্যপাল পদে লা গণেশন৷ যার ভূমিকা নিয়ে বেজায় অসন্তুষ্ট বিজেপি নেতারা।

রাজ্যজুড়ে লাগামছাড়া দুর্নীতিতে জেরবার শাসক দল। প্রতিদিন কোনও না কোনও নেতাদের তলব লেগেই রয়েছে৷ আবার গ্রেফতার হচ্ছেন অনেকে। লা গণেশন পর্বে বেশ শান্তই মনে হচ্ছে রাজভবনকে৷ আগের সমালোচনা পর্বে ইতি হয়েছে মনে হচ্ছে৷ এতেই খানিকটা যোগ দিয়েছে লা গণেশনের কার্যপ্রণালী। যা বিজেপিকে ক্রমাগত প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

প্রথম কারণ, মমতার আমন্ত্রণে কালীপুজোর দিনে কালীঘাটে রাজ্যপালের উপস্থিতি অবধি মেনে নিচ্ছিলেন বিজেপি নেতারা। মানতে পারলেন না যখন রাজ্যপাল দাদার জন্মদিনে আমন্ত্রণ জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ আমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিলেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিন। বিরোধী শিবিরের সঙ্গে রাজ্যপালের এই ঘনিষ্ঠতা আর মানতে পারলেন না শুভেন্দু অধিকারী। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানালেন, সমস্ত কিছুর ওপর নজরদারি রয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য দ্রুত সময় চেয়েছেন তিনি৷ তবে কী রাজ্য রাজনীতি সম্পর্কে লা গণেশনকে অবগত করবেন বিরোধী দলনেতা? প্রশ্ন তুলতে রাজ্যের শাসক দল৷

কারণ, এর আগে উত্তরবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সৌজন্য সাক্ষাত করেছিল প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে৷ সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা৷ সেই বৈঠকের পরেই রাজ্যে তৃণমূল ও বিজেপির সমঝোতার হাওয়া তুলে দলীয় সংগঠন চাঙ্গা করেছিল বামেরা। এখন আবার সেই হাওয়া রাজ্যে বইলে শিরে সংক্রান্তি শুরু হবে বিজেপির জন্য।

(সব খবর, সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে পান। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram এবং Facebook পেজ)