হাবড়ায় ভোটপ্রচারে তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালুকে ‘ফেভারিট ক্যান্ডিডেট’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবেই বললেন, যদি বালুকে বিধানসভা নির্বাচনে জেতানো যায়, তাঁর সরকার এলাকার সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ কার্যকর করবে এবং জনগণের জন্য সব ধরণের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করবে। এই নির্বাচনী প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) শুধু নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েই থেমে থাকেননি, তিনি বালুর বিরুদ্ধে করা ভুয়ো অভিযোগের কথাও তুলে ধরেছেন।
মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Banerjee) বলেন, রেশন দুর্নীতি মামলায় মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বালুকে ফাঁসানো হয়েছিল। ভুয়ো মামলার কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যদিও কোনও সত্যতা পাওয়া যায়নি। মমতার বক্তব্যে উঠে আসে যে, বালু তৎকালীন সরকারের সময় এমন বহু কাজ করেছিলেন যা অন্য কেউ করতে পারেনি। তিনি বলেন, “বালুর নামে বদনাম দিয়ে বেড়াচ্ছে শুনছি। হাবড়ার প্রার্থীর নামে অনেক কুৎসা ছড়ানো হচ্ছে। জানুন, আমার গভর্নমেন্টে বালু যত ভাল কাজ করেছে, সেটা কেউ করতে পারেনি। ওকে হিংসার কারণে গ্রেপ্তার করেছিল। কিন্তু কোনও প্রমাণ পেল না।”
সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) বালুর পক্ষে সরাসরি ভোটপ্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, “যতই কুৎসা-বদনাম ছড়ানো হোক না কেন, বালুই আমার প্রিয় প্রার্থী এবং পুরনো দিনের সঙ্গী। আমরা তাকে মানি এবং বিশ্বাস করি, বালু আমাদের সরকারের জন্য অপরিহার্য।” এই বক্তব্য দিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে বালুর জনপ্রিয়তা ও তাঁর সক্ষমতা প্রসঙ্গে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
এছাড়াও মমতা(Mamata Banerjee) এই সুযোগে সিপিএমকেও নিশানায় নিয়েছেন। তিনি বলেন, “ওই পচা সিপিএম পার্টি আগে দেড় লক্ষের বেশি নাম রেশন কার্ডে ঢুকিয়েছিল। সেগুলো ভুয়োভাবে রেশন দেওয়ার জন্য ব্যবহার হত। বালুই সেই চুরি ধরেছে। সেই কারণেই তাকে ভুয়ো কেসে ফাঁসানো হয়েছিল। ডিজিটাল রেশন কার্ডও বালু করেছিল। তখন পরিস্থিতি এত সহজ ছিল না। আগের মতো রেশনের মাল পাচার হত। প্রত্যেকটি ট্রাক, প্রত্যেকটি গাড়ি নজরে রেখেছিল বালু।” তিনি আরও বলেন, “আগে যারা সিপিএম করত, এখন তারা বিজেপি করছে। কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম তিনটিই সমান।”




















