বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে-র মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ও শোকের পরিবেশ তৈরি হয়েছে এলাকাজুড়ে। অভিযোগ, এক সংঘর্ষের ঘটনায় তিনি প্রাণ হারান বলে জানা যায়। এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও চাপানউতোর। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে নিহত কর্মীর বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । সেখানে তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের প্রতি সমবেদনা জানান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুখ্যমন্ত্রী(Suvendu Adhikari) নিহত প্রশান্ত দে-র বাড়িতে পৌঁছে সরাসরি পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি শোকাহত পরিবারের সদস্যদের কথা শোনেন। পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। তাঁদের অভিযোগ, একটি সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতীর হাতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে। পরিবারের দাবি, প্রায় ১৭ জন দুষ্কৃতী এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত ছিল।
মুখ্যমন্ত্রী পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের প্রতিশ্রুতি দেন বলে জানা গেছে। তিনি বলেন, প্রশাসন বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি তিনি পরিবারকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ জানান এবং সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এই ঘটনার পর এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ প্রশাসন এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার জন্য তদন্ত চলছে এবং ইতিমধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পাওয়া গেছে।
বিজেপির পক্ষ থেকে এই ঘটনাকে (Suvendu Adhikari) অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দলের নেতারা দাবি করেছেন, রাজনৈতিক কারণে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তারা অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, শাসকদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং কোনও ধরনের সহিংসতাকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
নিহত প্রশান্ত দে-র পরিবারের(Suvendu Adhikari) সদস্যরা ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এত বড় একটি ঘটনার পরও যাতে কোনো দোষী ছাড় না পায়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। পরিবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচারের আবেদনও জানিয়েছে বলে জানা গেছে।



