ধর্মতলায় বুস্টার ডোজ নিয়ে রায়গঞ্জে CPIM ভাঙল ব্যারিকেড

46

কলকাতায় বিপুল যুব জমায়েত করার পরই আক্রমণাত্মক (CPIM) সিপিআইএম। এবার তাদের ধাক্কায় উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলা প্রশাসনের তৈরি ব্যরিকেড ভেঙে ধুন্ধুমার কান্ড রায়গঞ্জে (Raiganj)। টেট সহ শিক্ষা দফতরের লাগামহীন দূর্নীতির প্রতিবাদে জেলা শাসকের দফতর অভিযান করে সিপিআইএম।

পুলিশি ব্যারিকেড ভেঙে গেল সিপিআইএম যুব সমর্থকদের ধাক্কায়। জল কামান ছুঁড়ে কিছুটা পরিস্থিতি আয়ত্বে আনে পুলিশ। তবে ব্যারিকেড ভেঙে দেন বাম সমর্থকরা।

পঞ্চায়েত স্তরে তৃণমূলের পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির প্রতিবাদ হয়। উত্তর দিনজাপুরের রায়গঞ্জে সিপিআইএম জেলা কমিটির ডাকে এদিনের কর্মসূচি ঘিরে পুলিশ ও বাম সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

বাম কর্মীদের আটকাতে দ্বিস্তরীয় ব্যারিকেডের ব্যবস্থা করা হয়েছিল জেলা প্রশাসনের তরফে। সেই ব্যারিকেড উপেক্ষা করেই এগিয়ে যায় মিছিল। এরপর জল কামান দিয়ে তাদের আটকানোর চেষ্টা করা হয়।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। উপস্থিত ছিলেন জেলা নেতৃত্বরা।

এদিনের মিছিল থেকে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে সুজন চক্রবর্তী বলেন, আসলে পুলিশ ভয় পেয়েছে। ডিএ মামলায় রাজ্য হেরেছে। তাই যদি চাকরি চলে যায় সেই কারণে আজ লাঠিপেটা করেছে। প্রতিবাদ করার জন্য পুলিশ লাঠিপেটা করছে দাবি এক বাম কর্মীর।

গত লোকসভা নির্বাচনে এই এলাকায় বামেদের দুর্গের পতন ঘটয়ে বিজেপি আধিপত্য কায়েম করে। যদিও দীর্ঘ সময় ধরে রায়গঞ্জ কংগ্রেসের গড় বলেই পরিচিত ছিল।রায়গঞ্জ থেকে সিপিআইএমের তকালীন সাংসদ মহম্মদ সেলিমকে হারিয়ে জয়ী বিজেপির মন্ত্রীত্ব পান দেবশ্রী চৌধুরী। এখন তিনি সাংসদ। কিন্তু গত কয়েক বছরে এই জেলায় ফের বদলাতে শুরু করেছে ভোটের অঙ্ক। বিরোধী বেঞ্চে ধীরে ধীরে জায়গা নিতে শুরু করেছে বাম।

কংগ্রেসেরও সাংগঠনিক শক্তি রায়গঞ্জে বেশি রাজনৈতিক মহলের ব্যাখা, রায়গঞ্জে রাজনৈতিক পালাবদলের ক্ষেত্রে বামেদের পথ মসৃণ করেছে রাজ্যজুড়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে উত্তরবঙ্গেও ধীরে ধীরে জায়গা পাচ্ছে বাম শিবির।