NJP Station: বিশ্বমানের রূপ পাচ্ছে এনজেপি স্টেশন, বুলেট ট্রেন নিয়েও বাড়ছে আশা

পারমিতা রায়, শিলিগুড়ি: নতুন রূপে সেজে উঠছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার নিউ জলপাইগুড়ি (NJP Station) রেলওয়ে স্টেশন। ধীরে ধীরে এই স্টেশনকে বিশ্বমানের আধুনিক রেল স্টেশনে পরিণত করার…

njp-railway-station-modernisation-bullet-train-plan

পারমিতা রায়, শিলিগুড়ি: নতুন রূপে সেজে উঠছে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার নিউ জলপাইগুড়ি (NJP Station) রেলওয়ে স্টেশন। ধীরে ধীরে এই স্টেশনকে বিশ্বমানের আধুনিক রেল স্টেশনে পরিণত করার কাজ এগিয়ে চলেছে জোরকদমে। দ্রুত গতিতে চলছে পুনর্নির্মাণ ও পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ। রেল সূত্রে দাবি, ভবিষ্যতে এখান থেকেই চালু হতে পারে বুলেট ট্রেন পরিষেবা, যার মাধ্যমে মাত্র ছয় ঘণ্টায় শিলিগুড়ি থেকে দিল্লি পৌঁছানো সম্ভব হবে।

সোমবার বিকেলে এনজেপি স্টেশনের পুনর্নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে আসেন জলপাইগুড়ির সাংসদ ডঃ জয়ন্ত কুমার রায়। স্টেশন চত্বরে ঘুরে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ খতিয়ে দেখেন তিনি। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ জানান, স্টেশনের উত্তর এবং দক্ষিণ প্রান্তে বিশেষ টিকিট কাউন্টার তৈরি করা হচ্ছে। সেই কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।

   

তিনি বলেন, “স্টেশনের দক্ষিণ দিকে নতুন টিকিট কাউন্টার চালু হলে সাধারণ মানুষের অনেক সুবিধা হবে। বিশেষ করে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং ডুয়ার্স এলাকার সমতল অঞ্চলের যাত্রীদের আর শহরের ভেতরে ঘুরপথে এসে টিকিট সংগ্রহ করতে হবে না।”

রেল আধুনিকীকরণের অংশ হিসেবে এনজেপি স্টেশনকে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন করে গড়ে তোলা হচ্ছে। যাত্রী পরিষেবা উন্নত করার পাশাপাশি স্টেশনের সৌন্দর্যায়ন, উন্নত অপেক্ষাকক্ষ, আধুনিক প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থা এবং উন্নত নিরাপত্তা পরিকাঠামোর উপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সাংসদ ডঃ জয়ন্ত কুমার রায় আরও জানান, উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে কেন্দ্র সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এনজেপি স্টেশনকে আন্তর্জাতিক মানের রেল হাবে পরিণত করার পরিকল্পনাও সেই বৃহত্তর ভাবনারই অংশ।

বুলেট ট্রেন পরিষেবা নিয়ে যদিও এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ ঘোষণা হয়নি, তবুও ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে স্টেশনের অবকাঠামো সেই অনুযায়ী তৈরি করা হচ্ছে বলেই মনে করছে রেল মহল।

সব মিলিয়ে, উত্তরবঙ্গের অন্যতম ব্যস্ত এই রেল স্টেশন নতুন রূপে সেজে ওঠায় খুশি সাধারণ যাত্রী থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের আশা, কাজ সম্পূর্ণ হলে যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত হবে এবং উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত খুলবে।