নির্বাচনের আগে প্রশাসনে বড় পরিবর্তন, নবান্নে প্রশাসনিক রদবদল

হাওড়া: বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল করল রাজ্য সরকার। নবান্ন (Nabanna) থেকে জারি হওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সাতজন আইএএস আধিকারিকের বদলি এবং…

হাওড়া: বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজ্যের প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল করল রাজ্য সরকার। নবান্ন (Nabanna) থেকে জারি হওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সাতজন আইএএস আধিকারিকের বদলি এবং নতুন দায়িত্বের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রশাসনিক মহলের মতে, নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক কাজকর্মকে আরও গতিশীল এবং কার্যকর করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বর্তমানে কলকাতা পুরসভার মিউনিসিপ্যাল কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সুমিত গুপ্তকে ডিরেক্টর অব ল্যান্ড রেকর্ডস অ্যান্ড সার্ভে (ডিএলআরএস) পদে নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁকে কলকাতা দক্ষিণের জেলা নির্বাচন আধিকারিকের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য এই পদে তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

   

অন্যদিকে, উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মীনাকে কলকাতা মেট্রোপলিটন ডেভেলপমেন্ট অথরিটির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। এই পদটি রাজ্য সরকারের সিনিয়র স্পেশাল সেক্রেটারি পদমর্যাদার। ফলে শহর ও শহরতলির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের তদারকি করার দায়িত্ব তাঁর উপর বর্তাবে।

এছাড়াও ডব্লিউবিএসআইডিসিএলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিকিল নির্মল কে-কে নদিয়া জেলার নতুন জেলাশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে অংশুল গুপ্তকে কলকাতা উত্তরের জেলা নির্বাচন আধিকারিক করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁকে কলকাতা পুরসভার মিউনিসিপ্যাল কমিশনারের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। ফলে একই সঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে হবে তাঁকে।

রাজ্যের আরও একাধিক জেলায় প্রশাসনিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। সিয়াদ এনকে-কে উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন বিভাগের স্পেশাল সেক্রেটারি শেভালে অভিজিৎ তুকারামকে আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক পদে বসানো হয়েছে।

এছাড়া নদিয়ার জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্তকে বদলি করে বাঁকুড়া জেলার জেলাশাসক পদে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়ানো এবং নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রশাসনকে আরও শক্তিশালী করতেই এই রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।