ফের প্রার্থী। ফের পুরোনো জায়গায়। উনিশের লোকসভা ভোটে (Lok Sabha Elections ) জিতেছিলেন। একুশের বিধানসভায় ভরাডুবি হয়েছিল। তাই এবার কঠিন লড়াই। চব্বিশের লোকসভা ভোটে আলোচিত কেন্দ্র হুগলি। প্রার্থী বিজেপির লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee)। উনিশের পর তাঁকেই ফের হুগলি কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে পদ্ম শিবির।
আরও পড়ুন: লোকসভা নির্বাচনে বাংলার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির
পাঁচ বছর ফর চেনা মাঠে। কিন্তু পিচ বদলেছে। শনিবার প্রার্থী ঘোষণা হতেই অনুগামীদের উচ্ছ্বাস। পার্টি অফিসে প্রার্থীকে বরণ। সবই হয়েছে। কিন্তু হুগলি বিজেপির অন্দরে একটা প্রশ্নও ঘুরছে। এবার লকেট চট্টোপাধ্য়ায় জিতবে তো? প্রার্থী ঘোষণা হতেই হুগলি সাংগঠনিক জেলার এক পদাধিকারী বললেন, “ভুল হয়ে গেল।” পালটা প্রশ্ন করা হল, “রেজাল্ট কী হবে? উনিশ না একুশ?” স্পষ্ট জবাব, “একুশ।” এরপর রাঘঢাক না রেখেই বললেন, “ভোটাররে দূরের কথা, সাধারণ কর্মীদের বড় অংশ পছন্দ করছেন না।”
আরও পড়ুন: Lok Sabha Elections: লোকসভা ভোটে তৃণমূল বিপর্যয়ের আশঙ্কা কুণালের
এ দিন প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিজেপি। তালিকায় বাংলার ২০ জনের নাম রয়েছে। অনেকেই সাংসদ কিংবা বিধায়ক। উনিশের অপরিবর্তিত প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছে হুগলি। এতেই বিজেপি কর্মীদের একাংশের হতাশা। উনিশের ভোটে ৭৩ হাজার ভোটে জিতেছিলেন। হুগলি লোকসভার মধ্য়ে থাকা সাত বিধানসভার পাঁচটিতেই এগিয়েছিল বিজেপি। একুশের বিধানসভা ভোটে ছবিটা উলটে যায়। চুঁচুড়া বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন লকেট। জিততে পারেননি।
আরও পড়ুন: Sonia Gandhi: লোকসভা নির্বাচনে সম্ভবত তেলেঙ্গানা থেকে লড়বেন সোনিয়া!
২ বছরের মধ্য়েই ফের ভোটের লড়াই। আবারও হুগলি লোকসভা। কর্মীদের একাংশ সন্দিহান। অনেকে আবার বলছেন, রাজনীতির খেলা ঘুরতে সময লাগে না। উনিশের ভোটেও অনেক বিজেপি কর্মীর প্রার্থী পছন্দ হয়নি। লকেট চট্টোপাধ্য়ায় যে হোটেলে থাকছিলেন সেখানে কর্মীদের একাংশ হামলা চালায়। সব পেরিয়েও জিতেছিলেন লকেট। সেই সময় হুগলি জেলা বিজেপির সভাপতি সুবীর নাগ প্রার্থীর বিরোধিতা করেছিলেন বলে শোনা যায়। কিন্তু তিনি এখন লকেটের ছায়াসঙ্গী।
অন্যদিকে, তৃণমূল শিবির বিজেপির প্রার্থী তালিকায় খুশি। পদ্মের জেতা একাধিক সিটে ঘাস ফুল ফুটবে বলে আত্মবিশ্বাসী। আর তা হবে প্রার্থীদের জন্য়। এমনি ইঙ্গিত দিয়েছেন তৃণমূল মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য। হুগলি জেলা বিজেপির দাবি, দলীয় কোন্দলের জেরেই উনিশে হারতে হয়েছিল। প্রতিকূলতা কাটিয়ে ওঠা গিয়েছে। যার সুফল মিলেছে একুশের ভোটে। চব্বিশেও সেই ধারা বজায় থাকবে।




















