রাজ্যের নতুন নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ড. কৃষ্ণ গুপ্তা

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রবীণ আইএএস অফিসার ড. কৃষ্ণ গুপ্তা (Dr Krishna Gupta) । বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে…

Dr Krishna Gupta Selected as Next State Election Commissioner of West Bengal

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেলেন প্রবীণ আইএএস অফিসার ড. কৃষ্ণ গুপ্তা (Dr Krishna Gupta) । বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে তাঁর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। প্রশাসনিক মহলে এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই রাজ্যের একাধিক পুরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

দীর্ঘ প্রশাসনিক (Dr Krishna Gupta) অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ড. কৃষ্ণ গুপ্তা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পর্কে অভিজ্ঞতা বিবেচনা করেই তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক পর্যবেক্ষকরা। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মতো সংবেদনশীল সংস্থার দায়িত্ব সাধারণত অভিজ্ঞ ও নিরপেক্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকদের হাতেই তুলে দেওয়া হয়।

   

সরকারি (Dr Krishna Gupta) বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন কমিশনার হিসেবে ড. কৃষ্ণ গুপ্তা অবিলম্বে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তাঁর অধীনে রাজ্যের আসন্ন পুরসভা নির্বাচন এবং অন্যান্য স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থার ভোট পরিচালিত হবে। নির্বাচন প্রক্রিয়া যাতে স্বচ্ছ, শান্তিপূর্ণ এবং নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রধান দায়িত্ব হবে।

রাজ্যের রাজনৈতিক মহলেও এই নিয়োগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধী শিবিরের তরফে যদিও এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি, তবে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে অতীতে একাধিকবার প্রশ্ন উঠেছে। সেই প্রেক্ষিতে নতুন কমিশনারের উপর নিরপেক্ষতা বজায় রাখার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, (Dr Krishna Gupta) আগামী কয়েক মাসে রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই নির্বাচনগুলি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা ড. কৃষ্ণ গুপ্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে। বিশেষ করে ভোটের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, বুথ ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ভোটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এই সমস্ত বিষয়েই কমিশনের সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন হবে।