মধ্যমগ্রাম: শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য। আজই তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। পুলিশ সূত্রে খবর, ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে এফআইআর (FIR) রুজু করা হবে। তবে ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে ইতিমধ্যেই জেলা পুলিশের সঙ্গে তদন্তে সহযোগিতা শুরু করেছে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি (CID)। সূত্রের খবর, শীঘ্রই এই মামলার পুরো তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। (Chandranath Rath murder investigation)
ফরেনসিক নজরে ক্ষতচিহ্ন ও গাড়ি
বৃহস্পতিবার সকালেই ঘটনাস্থল এবং চন্দ্রনাথের ব্যবহৃত গাড়িটি থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে ফরেনসিক দল। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, কী ধরনের মারণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে বুঝতে মৃতদেহের ক্ষতচিহ্ন থেকে সংগৃহীত নমুনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া গাড়ির ভেতরে থাকা রক্তের দাগ এবং বুলেটের আঘাতের ধরণ দেখে হামলার তীব্রতা বোঝার চেষ্টা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কেন জোরদার হচ্ছে ‘সুপারি কিলার’ তত্ত্ব?
তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে একটি বিষয়ে প্রায় নিশ্চিত—এই খুনের প্যাটার্ন বা ধরন পুরোপুরি পেশাদার খুনিদের মতো।
পরিকল্পিত ছক: যেভাবে দোহরিয়ার মতো জায়গায় গাড়ি আটকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরা হয়েছে, তা দীর্ঘ রেইকি ছাড়া সম্ভব নয়।
খুনিদের পেশাদারিত্ব: সুপারি কিলারদের ব্যবহারের প্রমাণ মিলছে হামলার নিখুঁত নিশানায়। তদন্তকারীদের মতে, নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে খুব কাছ থেকে গুলি চালানো হয়েছে যাতে বাঁচার কোনও পথ না থাকে।
তদন্তের পরবর্তী ধাপ
বর্তমানে মধ্যমগ্রাম ও আশপাশের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। সিআইডি আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই স্থানীয় পুলিশের কাছ থেকে মামলার ডায়েরি এবং প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে ঘাতক বুলেটের ধরন এবং আঘাতের প্রকৃতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।




















