CBI: মনে সাড়ে সর্বনাশ ভয়, দুটো একটা ফোন…’সব রইল দেখিস’ বলে গেলেন অনুব্রত

বোলপুর থেকে কলকাতা যেতে মন চাইছে না আর। ওখানে দিদি থাকেন। তবুও কেষ্টর মনে সাড়ে সর্বনাশ ভয়। বুধবার হাজিরা। সিবিআই (CBI) গুহা বলে পরিচিত নিজাম প্যালেস থেকে ডাক এসেছে। অতএব গোরু পাচার মামলায় হাজিরা দিতে বীরভূম ছাড়তে হলো তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে।

ঘনিষ্ঠ মহলে ‘কেষ্ট দা’ বলে গেলেন, সব রইল দেখিস। দরকারে দিদির কথা শুনিস।  বুধবার সিবিআইয়ের সামনে তিনি হাজির হবেন। তারপর? গোরু পাচার মামলায় যার সঙ্গে মোলাকাত করতে সিবিআই মু়খিয়ে সেই অনুব্রত মণ্ডল অবশেষে আসছে।

   

চারবার হাজিরা এড়িয়ে পা়ঁচবারের বার রাঘব বোয়াল গেঁথেছে সিবিআই, বিরোধী দল বিজেপি, সিপিআইএম, কংগ্রেসের মধ্যে এমনই আলোচনা।

আদালত রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ করায় সিবিআই জেরা এড়ানোর কোনও উপায় ছিল না তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতির।  জেলা টিএমসি মহলের গুঞ্জন, কেষ্ট দা’র (অনুব্রত) বুক কাঁপছে। তিনি সিঁটিয়ে আছেন। তাঁর শরীর ভালো নয়, যে কোনও সময় অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

গোরু পাচার মামলায় আগে বারবার সিবিআই জেরা এড়িয়ে অসুস্থ হয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। রক্ষাকবচের আবেদন খারিজ হওয়ায় তিনি নিজাম প্যালেসে যেতে বাধ্য। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী তথা টিএমসি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও অনুব্রতর গ্রেফতারির আশঙ্কা করছেন।

গোরু পাচার মামলার সূত্র ধরে বীরভূম জেলা থেকে কয়লা ও বালি পাচার সংযোগের সূত্র খুঁজছে সিবিআই। এই কয়লা ও বালি পাচারের বখরা নিয়ে টিএমসির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে হয়েছে গণহত্যা। সরকারি হিসেবে ৯ জন মৃত। বেসরকারি হিসেবে ১২-১৪ জনকে কুপিয়ে ও পুড়িয়ে খুন করা হয়। গণহত্যা এই তদন্তের সূত্র নিতে সিবিআই তদন্ত চালাচ্ছে বগটুই গ্রামে। নিহতদের পরিবারের তরফে অনেকেই অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন।

এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে Google News-এ Kolkata24x7 ফলো করুন