ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ: কালীঘাটের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন ইডির, চাইল দলীয় সংবিধান

কলকাতা: তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় হওয়া নিয়ে ইডির (ED) বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। সোমবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের বেঞ্চে…

কলকাতা: তৃণমূলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় হওয়া নিয়ে ইডির (ED) বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। সোমবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের বেঞ্চে এই মামলার শুনানির শুরুতেই তৃণমূলের আবেদনের ‘গ্রহণযোগ্যতা’ (Maintainability) নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইডির আইনজীবী এসভি রাজু।

শুনানিতে কী ঘটেছে?

আদালতে ইডির আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, ঠিক কোন এক্তিয়ারে বা অধিকারের ভিত্তিতে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ এই মামলা করেছে? তৃণমূলের এই মামলা করার পেছনে দলীয় অনুমোদনপত্র কোথায়? মামলার অনুমোদনের বিষয়টি নিয়ে বিচারপতিও তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্তের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন। পাশাপাশি, দলের সংবিধান বা গঠনতন্ত্র দেখতে চেয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই নথিপত্র জমা দেওয়ার জন্য তৃণমূলের পক্ষ থেকে কিছুটা সময় চাওয়া হলে বিচারপতি মামলার পরবর্তী শুনানি বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত স্থগিত রাখেন।

প্রেক্ষাপট

উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের অন্দরে দুই শিবিরের লড়াই চরমে পৌঁছায়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একাংশ দাবি করে, তাঁরাই ‘আসল তৃণমূল’। এই লড়াইয়ের মাঝেই দলের প্রতীক এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের অধিকার নিয়ে টানাপড়েন শুরু হয়। সেই পরিস্থিতিতে প্রায় কয়েকশো কোটি টাকা সম্বলিত তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় করে দেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই কালীঘাট তৃণমূল হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়।

এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে এই সংক্রান্ত একটি মামলায় আদালত কিছুটা স্বস্তি দিয়েছিল মমতাপন্থী তৃণমূলকে। আদালত প্রাক্তন বিচারপতি সুব্রত তালুকদারকে স্পেশ্যাল অফিসার হিসেবে নিয়োগ করে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, জরুরি প্রয়োজনে বা আইনি খরচ চালানোর জন্য অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ তোলা যাবে, তবে তার জন্য স্পেশ্যাল অফিসারের পাল্টা স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এখন ইডির বিরুদ্ধে নতুন করে আইনি লড়াই শুরু হওয়ায় বিষয়টি ফের রাজনৈতিক ও বিচারিক মহলে চর্চার কেন্দ্রে চলে এসেছে।

জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,