Attack On ED: সন্দেশখালির ‘তৃণমূল বাঘ’ কোন ডেরায় লুকিয়ে? দলীয় কর্মীরা বলছে খুঁজুক ইডি!

ডিজির বার্তা দেওয়ার পর তিনদিন পার। তবুও নাগালে নেই শেখ শাহজাহান। প্রশ্ন উঠছে ধরতে পারলেও কতক্ষণে হেফাজতে রাখা যাবে তাকে। কারণ সবই তো জামিনযোগ্য লঘু…

ডিজির বার্তা দেওয়ার পর তিনদিন পার। তবুও নাগালে নেই শেখ শাহজাহান। প্রশ্ন উঠছে ধরতে পারলেও কতক্ষণে হেফাজতে রাখা যাবে তাকে। কারণ সবই তো জামিনযোগ্য লঘু ধারা। তাই নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ইডি। এলাকার লোকজন বলছে শাহজাহান এলাকাতেই। তবে কেন ধরা যাচ্ছে না। অভিযোগ, তার নির্দেশে হামলা (Attack On ED) হয়েছিল রেশন দুর্নীতির তদন্ত করতে যাওয়া ইডি অফিসারদের উপর। কেন্দ্রীয় রক্ষীরা মার খেয়ে রক্তাক্ত হন। তারপর থেকে পলাতক সন্দেশখালির তৃ়ণমূল নেতা ও এলাকায় পরিচিত বাঘের মতো নেতা শেখ শাহজাহান।

রেশন দুর্নীতিতে হেফাজতে থাকা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘনিষ্ঠ শাহজাহান। সে উত্তর ২৪ পরগনা জেলাপরিষদ মৎস্য কর্মাধক্ষ্য। শেখ শাহজাহান অবশ্য গোপন ডেরা থেকে বলেছে, আমি দোষী প্রমাণ হলে নিজের মুন্ডু নিজে কাটব! 

   

রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার বলছেন, যারা আইন হাতে তুলে নিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে। কড়া ব্যবস্থা আশ্বাস দিয়েছিলেন ডিজি। পুলিশ স্বতপ্রণোদিত ভাবে যে মামলা রুজু করেছে সেখানে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯ ধারায় অবৈধ জমায়েত, ৪২৭ ধারায় ক্ষতি, ৩২৩ ধারায় ধাক্কা বা চড় মারা, ৫০৬ ধারায় খুনের হুমকি এসবই লঘু ধারা। এখানেই প্রশ্ন হচ্ছে পুলিশ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পারলেও কতক্ষণ নিজেদের হেফাজতে রাখতে পারবে।

শাহজাহান কোথায় এ নিয়ে বিস্তর জল্পনা চলছে এমন সময় শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন শাহজাহান কোথায় আছে আমি জানি কিন্তু পুলিশ জানে না। সরবেড়িয়া থেকে ধামাখালির মধ্যে ওই ১১ কিলোমিটার এর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। বিরোধীরা বলছে শাহজাহান এলাকাতেই আছে এমনকি স্থানীয় সূত্রে এমনটাই খবর। তবুও কেন শাহজাহানের নাগাল পেতে বেগ পেতে হচ্ছে পুলিশকে।

জানা যাচ্ছে শাহজাহান সুন্দরবনের সন্দেশখালি এলাকাতেই রয়েছে। তার যারা দলীয় কর্মী রয়েছেন বা তার অনুগামীরা জানাচ্ছেন শাহজাহান শেখ কোথাও পালিয়ে যাননি, তিনি দলীয় সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগেকারী ইডি আধিকারিকের বয়ান নিতে গতকাল সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়েছিলেন বসিরহাট পুলিশের ডিএসপি। তো খালি হাতেই ফিরতে হয় তাকে। পুলিশ পুলিশের কাজ করছে। অনির্দিষ্টকালের জন্য বিষয়টি চলবে না ইঙ্গিত পূর্ণ প্রতিক্রিয়া শাসকদলের।